পল্লিতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু রোধে যে প্রকল্প দেখাচ্ছে আশা
পল ল ত প ন ত ড – বাংলাদেশে প্রতিদিন নিরাপদ পরিবেশে থাকা শিশুদের ঝুঁকি কমানোর জন্য নিরাপদ তত্ত্বাবধান প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে সামারি বাংলাদেশে প্রাথমিক শিশুদের মৃত্যুর বৃহত্তম কারণ হিসেবে পানিতে ডুবে নির্ধারিত হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সময় অগোচরে শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ সময়টি কমানোর উদ্দেশ্যে।
পানি শিশুদের জীবনে দুর্দশা করেছে
সাধারণত গ্রামে পুকুর ও ডোবা শুধু পানির উৎস নয়, শিশুদের জীবনযাপন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। যেমন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বৈঠাখাই গ্রামে বাড়ির আঙিনায় খেলছিল দুই শিশুকন্যা—রুমা আক্তার ও পাপিয়া আক্তার। তাদের আপন অবস্থায় বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যাওয়ার ফলে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানান দুই শিশুই মারা গেছে।
নওগাঁর পোরশায় সেখানেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। আড়াই বছরের আবরার ফাহাদ বাড়ির পাশে খেলছিল। পরিবারের সদস্যদের অজান্তে পুকুরে পড়ে যায় সে। পরে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। কিন্তু একই ঘটনায় আরেক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
প্রকল্পের প্রাথমিক বিবরণ
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বাস্তবায়ন করেছে একটি প্রকল্প যা শিশু মৃত্যু রোধ করার প্রচেষ্টা হিসেবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শিশুদের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি গ্রামীণ এলাকায় সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করে না, সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়।
নিরাপদ শিশুযত্ন কেন্দ্রগুলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে। এখানে শিশুদের খেলাধুলা, গল্প বলা, সৃজনশীল কাজ ও দলভিত্তিক শেখার ব্যবস্থা থাকে। প্রতিটি কেন্দ্রে একটি লক্ষ্য রয়েছে সেখানে ২৫ শিশুকে নিরাপদ পরিবেশে রাখা।
বাংলাদেশ হেলথ অ্যান্ড ইনজুরি সার্ভে ২০১৬–এর তথ্য উদ্ধৃত ক
