দরদাম আর বেচাবিক্রিতে সরগরম পশুর হাট
দরদ ম আর ব চ ব ক – আগামীকাল বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা আসছে। এই দিনের জন্য কোরবানির পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাবেচা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ১০০ ফুট বড় বেরাইদ স্বদেশ প্রোপার্টির খালি জায়গায় গরু বিক্রি হচ্ছে। সকালে ক্রেতার উপস্থিতি কম ছিল, কিন্তু বেলা হওয়ার সাথে সাথে ভিড় ও বেচাকেনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যাত্রার সময় দেখা যায় যে হাটের বিভিন্ন অংশে ক্রেতারা গরু ও খাসি দেখছেন। আগের দিন বিক্রি হওয়া পশুগুলোর মধ্যে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু সবচেয়ে জনপ্রিয়। হাট থেকে আসা ক্রেতাদের হাতে হাতে তুলনামূলক ছোট পশুর দেখা গেছে।
বিক্রির ক্ষেত্রে দরদাম প্রভাব পড়ছে
গতকাল বিকেলে বনানী এলাকার আবদুল মাজেদ হাট থেকে পাঁচটি গরু কিনেছেন। তিনি একটি সাড়ে চার মণ ওজনের গরু ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় কিনেছেন। বাকি চারটি গরুর দাম পড়েছে ৯০ থেকে ৯৫ হাজার টাকার মধ্যে।
আগের দিন ও সোমবার তেজগাঁও পলিটেকনিক ও ৩০০ ফুটের হাট ঘুরে দেখেছি। সেখানে বিক্রেতারা তুলনামূলক বেশি দাম চাইছিলেন। কিন্তু বড় বেরাইদ হাটে দরদাম করে স্বাভাবিক দামে গরু কিনতে পেরেছি।
বাড্ডার বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম হাট থেকে ছয় মণ ওজনের গরু ১ লাখ ৭০ হাজার টাকায় কিনেছেন। তিনি বলেন, বিক্রেতারা প্রথমে গরুটির দাম ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। পরে দরদাম করে ৫০ হাজার টাকা কমিয়ে কিনেছেন।
শাহজাদপুর এলাকার সুমন রহমান পাঁচ মণের বেশি ওজনের গরু কিনেছেন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়। তিনি জানান, আগের দিন একই ধরনের গরুর দাম দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার তুলনামূলক কম দামে গরু কিনতে পেরেছেন।
কুষ্টিয়া থেকে আসা মিজানুর রহমান হাটে ১৯টি গরু নিয়ে এসেছেন। তাঁর আনা পশুগুলোর বেশির ভাগ ছোট ও মাঝারি আকারের। এর মধ্যে ইতিমধ্যে ১৬টি গরু বিক্রি হয়েছে। সর্বোচ্চ দাম পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, সর্বনিম্ন বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায়।
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লিয়াকত আলী হাট থেকে দুটি দুম্বা নিয়ে এসেছিলেন। তিনি একটি দুম্বা ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। যদিও প্রাথমিক দামের পরিকল্পনা ছিল সাড়ে তিন লাখ টাকা। অবিক্রীত থাকা আরেকটি দুম্বার দাম চাইছেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
নাটোরের শফিকুল ইসলাম হাটে ১৩টি গরু নিয়ে এসেছেন। গতকাল এক দিনের মধ্যে তিনি নৌকো করেছেন ৯টি গরু, আগ
