২১ দিনের মজুরি পাননি, বাড়তি ভাড়ায় ফিরতে হচ্ছে বাড়ি
২১ দ ন র মজ র প – চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার একটি ইটভাটার শ্রমিক আবদুল আজিজ (২৬) কর্মস্থল থেকে বিপাকে পড়েছেন টানা ২১ দিনের মজুরি পেলেন না। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ায় তিনি সুনামগঞ্জের বাড়িতে ফিরছেন। পরিবারের সদস্য নিয়ে পথে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাঁদের। বাড়ি ফেরার ভাড়ার টাকাও ছিল না। গ্রামের এক প্রতিবেশী থেকে ধার করে টিকিট কেটেছি বলে জানান তিনি। বাড়ি গিয়ে কাজ করে সেই টাকা শোধ করতে হবে।
বাড়িতে ফেরার পথে বাড়তি খরচ
সুনামগঞ্জের বাস ছাড়বে আজ সন্ধ্যা ছয়টা এবং কুষ্টিয়ার বাস ছাড়বে বিকেল পাঁচটায়। কুষ্টিয়াগামী মোহাম্মদ শাহেদ (২৮) ঈগল পরিবহনের টিকিট কিনেছেন ১ হাজার ৭৫০ টাকায়। সাধারণ সময়ে পথটি বেলা দিয়ে যাওয়া যেত ১ হাজার টাকা। শাহেদ বলেন, ‘সাত মাস আগে ওই ইটভাটায় কাজ শুরু করেছিলাম। প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা মজুরি পেতাম। কিন্তু আর ২১ দিন ধরে মালিক মজুরি দেন না। উপায় না পেয়ে কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরছি।’
‘বাড়ি ফেরার ভাড়া ছিল না। গ্রামের এক প্রতিবেশী থেকে ধার করে টিকিট কেটেছি। বাড়ি গিয়ে কাজ করে সেই টাকা শোধ করতে হবে। সবার অবস্থা একই।’
ঈদ সামনে রেখে চট্টগ্রামের বাস টার্মিনালগুলোতে দেখা যায় মানুষের দীর্ঘ সারি। নোয়াখালীগামী শাহি কাউন্টারে ছিল উপচে পড়া ভিড়। সেখানে প্রতিটি টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা করে। নোয়াখালীর চৌমুহনী যাবেন বলে মোহাম্মদ রাকিব জানান, ঈদের আগে পথটি ভাড়া ছিল ৩৫০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ৫৮০ টাকা। একই পথে চলাচলকারী জোনাকি পরিবহনও নিচ্ছে ৫৮০ টাকা ভাড়া।
নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে বাস খালি ফিরতে হচ্ছে বলে জানান শাহি কাউন্টারে থাকা বাস চালকের সহকারী। তাই বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। ইয়াছিন এক্সপ্রেস কাউন্টারের সামনে সুনামগঞ্জগামী আরেক যাত্রী মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন টিকিট কেটেছেন ১ হাজার ৫০০ টাকায়। সেই সময়ে সরকার প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ২৩ পয়সা ভাড়া নির্ধারণ করেছে। চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কুমিল্লা পর্যন্ত ৪০ আসনের বাসে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৪৩৭ টাকা। তার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছ
