কুড়িগ্রামে চাষ হচ্ছে রাশিয়ার আঙুর, দুই বিঘা বাগানে লাভের আশা ৯ লাখ টাকা
ক ড় গ র ম চ ষ – বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার আজোয়াটারী গ্রামে দুই কৃষি উদ্যোক্তা হাসেম আলী ও তাঁর ভাগনে রুহুল আমীন রাশিয়ার বাইকুনুর জাতের আঙুর চাষে প্রথমবারের মতো সফল হয়েছেন। তাঁদের বাগান থেকে এ বছর প্রায় ১ হাজার ৮০০ কেজি আঙুর উৎপাদনের আশা রয়েছে। খরচ বিবেচনার বাইরে তাঁদের প্রায় ৯ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন উদ্যোক্তারা। কৃষি প্রকল্পটি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে একটি নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছে এবং এটি বাণিজ্যিক চাষের একটি সম্ভাবনার প্রতিনিধিত্ব করছে।
আঙুর চাষের আরম্ভ ও বিস্তার
২০১৭ সালে উদ্যোক্তাদের দ্বারা সাংগঠনিকভাবে চারা রোপণ শুরু হয়। প্রথম ধাপে তাঁরা ৫০টি চারা বিনিয়োগ করেন যা সামান্য সামগ্রিক ফলন সৃষ্টি করে। বাগানে সাধারণ মতে অনেক কৃষক সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু আট মাসের মাথায় গাছে ফল ধরে শুরু করে। তারপর ধাপে ধাপে বাগানটি বিস্তার পেয়েছে। এই সফলতা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
হাসেম আলী জানান, তিনি ইউক্রেনে থাকা এক বন্ধুর কাছ থেকে আঙুর চাষের ধারণা পেয়েছিলেন। পরে তাঁর ভাগনে রুহুল আমীনের সঙ্গে পরামর্শ করে যৌথভাবে বাগান গড়ে তুলেছেন। তিনি আরও বলেন, সামগ্রিক বাধা ছিল, কিন্তু এখন সফলতার সুখ অনুভব করছেন। এ বছর খরচ বিবেচনার বাইরে প্রায় ৯ লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি তিনি।
বাগানে চারা ও ফলনের সংখ্যা
বর্তমানে বাগানে প্রায় ৬০টি গাছে ফল ধরছে এবং জুপিটার, কার্নিভ্যাল, হেলিওডর, শাইন মাসকাট, ব্ল্যাক রুবি, ফ্লেম সিডলেস ও লাম্বোরগিনি সহ প্রায় ২০টি জাতের আঙুরের চারা রয়েছে। প্রতিটি চারা বিক্রি হয় প্রতি কেজি দুই হাজার টাকা থেকে কয়েক হাজার টাকার মধ্যে। উদ্যোক্তারা বলেন, কুড়িগ্রামের মাটিতে আঙুর চাষ হয়েছে এটি প্রথমবারের মতো ঘটনা।
রুহুল আমীন বলেন, দুই বিঘা জমিতে বাগান গড়ে তোলার জন্য এখন পর্যন্ত ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে। তবে চারা ও ফল �
