বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষক, উঠানে বজ্রপাতে মৃত্যু
ব জ র থ ক ব ড় – গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এই সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৪০) নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষক বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি বাড়ির উঠানে পৌঁছানোর সময় তাঁর ওপর বজ্রপাতের আঘাত হয়। ঘটনার পর তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়, যেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বাঁশখালী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেখে দেয়া হয়।
মৃত বজল আহমদের ছেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন
মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বাঁশখালী উপজেলার একটি স্থানীয় মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর নামের পাশাপাশি এলাকার বাসিন্ত মৃত বজল আহমদের ছেলে হিসেবে চিহ্নিত হয়। তাঁর পরিবারে তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে এবং দুই ছেলে রয়েছে। তাঁর পেছনে সরল ইসলামিয়া আনছারুল উলুম মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁর বৃত্তি সম্পর্কে প্রকাশ করেছেন। পরিবারের আবেদনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানানো হয় যে, ঘটনার সময় উপজেলার আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত তীব্র হয়ে উঠেছিল। হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রপাত সহ ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। এই ঘটনার কারণে উপজেলার বাসিন্তরা ঘটনার জন্য চারপাশে চোখ রেখেছিলেন। মাদ্রাসাশিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এ ঘটনায় আপনার মৃত্যু ঘটেছিল।
বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনার প্রতিক্রিয়া
বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি এই সময় বাড়ির উঠানে পৌঁছানোর সময় বজ্রপাতে আঘাত পান। তাঁর পরিবার তাঁকে আঘাতে আঘাত পাচ্ছিলেন যখন মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কমপ্লেক্সে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর উপজেলা থানার কর্মকর্তারা পরিবারের আবেদনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাঁদের কাছে হস্তান্তর করে দেয়া হয়।
পরিবার এবং আশেপাশে বাসিন্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের মৃত্যুর পর গভীর দুঃখে আছে।
