জগন্নাথ হলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী হামলার পর তিন ছাত্র নেতার পদ সমাপ্ত হয়েছে
জগন ন থ হল প রত বন – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে একটি চায়ের দোকানে পা তুলে বসার ঘটনায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মারধর অভিযোগ জানায়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল তিনজন নেতাকে কর্মপদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চন্দন দাস, ঝলক দাস ও রিপন চন্দ্র সরকার রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থী অভয় কুমার সিংহ ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানায় যে তিনি সাগর নামে একজন ব্যক্তির সহযোগিতায় ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তার রুমে পৌঁছে শারীরিক আঘাত ও থাপ্পড় মারেন।
“রবীন্দ্র ভবনের নিচে চায়ের দোকানে সন্ধ্যায় আমি পা তুলে বসেছিলাম। পায়ের সমস্যার কারণে তার করেছিলাম। চন্দন ও ঝলক আসে এবং তাকে পা নামাতে বলে। পরে তাদের কর্মপদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য আমাকে সমাপ্ত হয়েছে।”
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অভয় কুমার সিংহ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান যে এ কারণে তিনি আঘাত করা হয়েছে। তবে চন্দন দাস অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, “কথা কাটাকাটি হয়েছিল। আমরা বিষয়টি মীমাংসা করতে অভয়ের রুমে গিয়েছিলাম। মারধর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাজনৈতিক সুবিধা পেতে তিনি এমন ঘোষণা দিয়েছেন।”
জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল ঘটনার তদন্ত জন কমিটি গঠনের প্রক্টর অফিস থেকে একজন প্রতিনিধি কমিটিতে থাকছেন। ঘটনার পর ছাত্রদল তিন নেতাকে বাদ দিয়েছে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাত্রদলের কর্মপদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সোমবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থী মারধর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদল তিন নেতার কর্মপদ সমাপ্ত হয়েছে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ক্ষমতা ও গেস্টরুম সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা বলে মনে করেন। এ বিবৃতিতে শিবিরের ঢাবি সভাপতি মহিউদ্দিন খান ও সেক্রেটারি কাজী আশিক তাঁদের দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানান।
