যুক্তরাষ্ট্রে ওপিটি জালিয়াতির তদন্ত, নজরদারিতে ১০ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী
য ক তর ষ ট র ওপ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ ভিসাধারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ হিসেবে পরিচিত ওপিটি কর্মসূচির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা মেজর বা পড়াশোনা সংক্রান্ত কাজে বৈধভাবে বেতন পাওয়ার সুযোগ পায় যেখানে তাদের পড়াশোনা সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়োগদাতা হিসেবে কাজ করে এবং ওপিটি সুবিধা দেয় যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাজে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা বর্তমানে এই কর্মসূচির সম্পর্কে প্রমাণ সংকলন করছে। সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে ওপিটি মাধ্যমে ব্যাপক জালিয়াতি ও অপব্যবহারের প্রমাণ লাভ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এই সুযোগ যে কোনো কার্যক্রমের জন্য সরাসরি নির্ধারণ করে, বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গণিত খাতে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য।
তদন্তকারীদের মতে, ওপিটি কর্মসূচি বৈধ প্রমাণ ছাড়া কাজের সুযোগ বিনিময়ে বৈধতা কমানোর একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। আইসিইর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লিওনস জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বৈধতা হারিয়েছে।
তদন্তের প্রমাণ অনুসারে, কিছু প্রতিষ্ঠান কার্যক্রমের অস্তিত্ব প্রমাণ দিতে পারেনি। কোনো কোনো স্থানে খালি ভবন ও তালাবদ্ধ অফিসের অবস্থা দেখা গেছে। একই ঠিকানায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করার ঘটনা বিশ্লেষণের পর উঠে এসেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের দাবি ছিল, সেখানে মাত্র তিনজন কর্মী রয়েছেন, কিন্তু নথিপত্রে প্রায় পাঁচশত শিক্ষার্থীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্তকারীরা আরও জানান, কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শত শত শিক্ষার্থীর নাম যুক্ত থাকলেও বাস্তবে কার্যক্রমের প্রমাণ নেই। সেই কারণে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। তদন্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সতর্কবার্তা হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো কম নিয়োগ দিচ্ছে এবং চাকরি ছাটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও ভিসা যাচাই আরও কঠো
