দুই ধর্ষক কিশোরের কারাদণ্ড না হওয়ার রায় শুনে যেন ‘মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল’
দ ই ধর ষক ক শ র – যুক্তরাজ্যের একটি আদালত দুই কিশোরকে কারাদণ্ড বা বিচারের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে না দিয়ে কিশোর পুনর্বাসন আদেশ দিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী কিশোরী বলেছেন, বিচারকের সিদ্ধান্তে তার মনে হচ্ছে ছেলেদের কাজ হয়তো ঠিক ছিল না। কিন্তু তারা এখনো শিশু হওয়ায় আইনের চোখে যেন বিষয়টা ঠিকই আছে।
বিচারকের মন্তব্য
বিচারক নিকোলাস রোল্যান্ড বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, ছেলেদের বয়স নিয়ে মন্তব্য করার পর তাদের প্রশংসা করে বলেছিলেন যে বিচার চলাকালীন ছেলেগুলো খুব ভালো আচরণ করেছে। তিনি আইন অনুযায়ী দুই কিশোরের পুনর্বাসন আদেশ দিয়েছিলেন যেহেতু তাদের বয়স কম এবং অপরাধের গুরুত্ব স্বীকৃত করেছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল এখন এই রায়টি পর্যালোচনা করে দেখবেন। রায় ঘোষণার সময় ওই কিশোরী বলেন, ‘তাহলে আমাকে এসবের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার কী মানে দাঁড়াল?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কেন আদালতে গিয়ে বসে থেকে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এই যন্ত্রণা ভোগ করতে গেলাম? কেনইবা সবকিছু প্রমাণের জন্য আবার নতুন করে প্রকাশ করলাম আর এসব ঘটনা চোখের সামনে আবার ঘটতে দেখলাম?’
বিচারকের সিদ্ধান্ত শুনে আদালতে উপস্থিত ছিলেন কিশোরীর মা। তিনি বলেন, ‘যখন আমি এই ঘটনার কথা জানতে পারেন, তখন আমার পুরো পৃথিবী যেন ‘থমকে’ গিয়েছিল। সবকিছু যেন নিশ্চল হয়ে পড়েছিল।’
যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী ড্যারেন জোনস বলেছেন, তিনি আশা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এর চেয়েও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই বিষয়টি খুব জরুরি ভিত্তিতে দেখতে চাই।’
ঘটনার পরিচয়
হ্যাম্পশায়ারের ফোর্ডিংব্রিজে অ্যাভন নদীর ধারে একটি আন্ডারপাসে ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়। তখন তার বয়স ছিল ১৫ বছর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটে ওই কিশোরীর সঙ্গে ছেলেদের একজনের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এরপর ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল কিশোরী। অভিযুক্ত ওই দুই কিশোরের বর্তমান বয়স ১৫ বছর।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে একটি মাঠে আরেক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগেও তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। দ্বিতীয় ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকায় ১৪ বছর বয়সী আরেক কিশোরও দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ছেলেগুলো তাদের মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা সেই ভিডিওর কিছু অংশ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়।
আদালত বলেছিল, ধর্ষণের ঘটনার ভিডিও ধারণ করার কারণে অপরাধটি আরও ‘গুরুতর’ �
