Uncategorized

ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে

ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে ন য য়ব চ র র দ - রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় গত সপ্তাহে সাত বছর বয়স্ক শিশু একটি আত্মঘাতী অপরাধের শিকার হয়েছে। ধর্ষণ

Desk Uncategorized
Published May 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে

ন য য়ব চ র র দ – রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় গত সপ্তাহে সাত বছর বয়স্ক শিশু একটি আত্মঘাতী অপরাধের শিকার হয়েছে। ধর্ষণ এবং পরবর্তী হত্যার ঘটনাটি আমাদের সমাজে নারী ও শিশু নিরাপদ থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই এমন একটি নতুন সাক্ষরতা বোঝাচ্ছে। শিশুটির উপর ঘটে যাওয়া নৃশংসতা সমাজের বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে গণ্য করা যাবে না, কারণ এর প্রতিটি পরিস্থিতি এখন একটি দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার প্রমাণ হয়ে উঠেছে।

সংবাদ মাধ্যমে বিচার চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন শিশুর বাবা। তাঁর মন্তব্যটি ছিলো প্রায়শই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হত্যার সংখ্যা দ্বারা সম্পূর্ণ অর্থে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। এ ঘটনায় মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) আদালতে স্বীকারোক্তি জমা দিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার গ্রেপ্তার হয়েছেন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

“আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না”

মঙ্গলবার সকালে পাশের ফ্ল্যাটে ভাড়াটে হাতে শিশুটি খুনের শিকার হয়েছে। ধর্ষণ ও হত্যার অপরাধ গোপন রাখার জন্য মূল অভিযুক্ত শিশুটির লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরিস্থিতির শীঘ্রতম সমাধান হিসেবে অভিযোগপত্র গঠন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আইনবিষয়ক সময়ের মধ্যে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে কিনা সেটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য একমাত্র পথ।

বিচারপ্রক্রিয়ার দুর্বলতা

বিচারপ্রক্রিয়ার গোডানুগুলি আদালতের বিচার সম্পর্কে প্রতিদিন প্রকাশিত ঘটনাগুলো দেখিয়েছে যে নারী ও শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে বিচারহীনতা কতটা বিস্তৃত। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে আলোড়ন তোলা ঘটনাগুলো এখন সরকারের সাড়া পায় না।

২০২৫ সালের মার্চ মাসে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছিল আট বছর বয়স্ক শিশুটি। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার তার পরে দ্রুত বিচারের অঙ্গীকার করেছিল এবং নিম্ন আদালতে মামলাটি ক্ষুদ্রতম সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যে আলোচিত মামলাগুলো এবং বাছাই করা মামলাগুলো বিচারহীনতার প্রবণতা আড়াল করে না।

সরকারের বিচারহীন ব্যবস্থার কারণে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় সাজার হার মাত্র ৩ শতাংশ। এর বিপরীতে প্রায় ৭০ শতাংশ মামলায় খালাস পাচ্ছে আসামিরা। আইন অনুসারে একটি মামলা শেষ হতে গড়ে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে গড়ে তিন বছর সাত মাস স

Leave a Comment