সিলেট নগরে চাহিদার অর্ধেক পানিও মেলে না, গরমকালে সংকট আরও বাড়ে
স ল ট নগর চ হ দ – সিলেট নগরে প্রতিদিন পানির চাহিদা দুই কোটি লিটারের বেশি। কিন্তু সিটি করপোরেশন তো সাড়ে চার কোটি লিটার মাত্র সরবরাহ করতে পারছে। এতে বাসিন্দাদের ভোগান্তি হচ্ছে। তারা দ্রুত সুপেয় পানি সরবরাহের কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন।
সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়েছিল ২০০২ সালে। তখন সংস্থার অধীনে ছিল বিশ ওয়ার্ড। বর্তমানে নগরে প্রায় দশ লাখ বাসিন্দা আছেন এবং সিটি করপোরেশন নিয়েছে চারু ওয়ার্ড। তবে বিশ ওয়ার্ডের কিছু অংশে পানি সংযোগ লাইন চালু করা হয়েছে। কিন্তু সারান কিছু এলাকাতে পানি সরবরাহ করতে পারছে না।
বর্তমানে করপোরেশনের গ্রাহক আছেন পাঁচ হাজার পঞ্চাশ জন। কিন্তু সচেতন বাসিন্দাদের মতে এ সংখ্যা আরও বেশি। কুশিঘাট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং চোয়ার চারু ওয়ার্ডে প্রতিদিন সাড়ে চার কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা হচ্ছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে পানি উত্তোলন করছেন বাসিন্দারা চারু ওয়ার্ডে নতুন করে সংযোগব্যবস্থা চালু হয়নি।
আমি যোগদানের পর থেকেই পানির সংকট দূর করতে নতুন আরেকটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যাট স্থাপনে উদ্যোগী হই। সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ দ্রুতই শুরু হবে। এটা হলে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে চাহিদা অনুসারে পানি সরবরাহের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। সেই অনুযায়ী আমরা কাজও করছি।
বৈদ্যুতিক বিভ্রাটের কারণে সিটি করপোরেশন চাহিদামতো পানি সরবরাহ করতে পারছে না। পর্যাপ্ত পানি তোলার আগে সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়। অনেকে অবৈধভাবে লাইন দিয়ে পানি নিয়ে থাকেন। এসব কারণে ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
সিটি করপোরেশনের পানি শাখার সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক তাপাদার প্রথম আলোকে বলেন, নগরে এখন পানির সংকট নেই। সিটি করপোরেশন তো সরবরাহ করছে। অনেকে অনুমোদন নিয়ে নলকূপ স্থাপন করেও পানি উত্তোলন করছেন। কিন্তু নতুন প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতে পানি সরবরাহের কাজ শুরু হবে।
সিটি করপোরেশন চেঙ্গেরখাল নদীতে পানি শোধনাগার নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুশিয়ারা নদীকে উৎস হিসেবে ব্যবহার করে আরেকটি পানি শোধনাগার তৈরি করার পরিকল্পনাও আছে।
পুরোনো ওয়ার্ডগুলোতে অধিকাংশ এলাকায় পানির সংকট আছে। সাধারণত দিনে দুইবার পানি দেয়া হয়। কিন্তু কিছু এলাকায় একবার মাত্র সরবরাহ করা হয়। তবে গরমকালে এটা আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
লোডশেডিং বে
