Uncategorized

উত্তরবঙ্গের মহাস্থান কোরবানির পশুর হাটে হাসিলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

উত্তরবঙ্গের মহাস্থান হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ উত তরবঙ গ র মহ স থ - উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী মহাস্থান হাটে কোরবানি পশু বিক্রি বাজার জমে উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন বড়

Desk Uncategorized
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

উত্তরবঙ্গের মহাস্থান হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ

উত তরবঙ গ র মহ স থ – উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী মহাস্থান হাটে কোরবানি পশু বিক্রি বাজার জমে উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন বড় গরুর জন্য ৮০০ টাকা এবং ছোট গরুর জন্য ৬০০ টাকা হারে হাসিল আদায়ের হার নির্ধারণ করেছে। কিন্তু হাটের ইজারাদারের কর্মচারীরা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে না, বরং ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা সংগ্রহ করছেন। ছাগলের ক্ষেত্রে হাসিল আদায় করা হচ্ছে ৭০০ টাকা।

প্রতিবছর কোরবানি উপলক্ষে এ হাটে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়। গত বছর সাদা রঙের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের বড় ষাঁড় ছিল ৮০ হাজার টাকায়। কিন্তু এবার তার দাম লাখ টাকার ওপরে উঠেছে। বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার ফজলুল কবীর বলেন, কোরবানির পশুর হাটে মাঝারি ও ছোট গরুর দাম বেড়েছে বেশি।

পশু বেচাকেনা ও দামের পরিবর্তন

গত বছর কোরবানির হাটে সর্বোচ্চ ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকায় মোটাসোটা গরু পাওয়া যেত। এবার সেই গরুর দাম লাখ টাকার নিচে নেই। বগুড়া সদর উপজেলার দাঁড়িয়াল গ্রামের খামারি মহন্ত চন্দ্র সরকার বলেন, তিনি আট লাখ টাকায় দুটি ষাঁড় বিক্রি করতে আসেন। সেই গরুর দাম এবার দুই লাখ টাকার ওপরে গেছে।

“হাটে বড় গরুর ক্রেতা কম, দামও কম। তবে কোরবানির জন্য এখনো কয়েক দিন বাকি আছে। বেশি লাভ না হলেও খামারের গরু বিক্রিতে লোকসান হবে না বলে আশা করছি,” বলেন মহাস্থান হাটের খামারি রাখাত খান।

বগুড়া শহরে গরু কিনতে আসা ব্যাপারী মুনছুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় এ হাটে বড় গরুর দাম গড়ে ৫০ হাজার, মাঝারি গরুর দাম ৪০ হাজার এবং ছোট গরুর দাম ৩০ হাজার টাকা বেশি। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্রাকের ভাড়াও বেড়েছে।

গত বছর কোরবানির হাটে সাদা রঙের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের বড় ষাঁড় ছিল ১০ লাখ টাকায়। কিন্তু এবার তার দাম দেড় লাখ টাকার ওপরে উঠেছে। বগুড়া সদরের সাতশিমুলিয়া গ্রামের শহীদ উল্লাহ বলেন, এবার কোরবানির জন্য বকনা কিংবা ষাঁড় কোনোটাই লাখ টাকার নিচে মিলছে না।

হাটের প্রতিটি গরু বিক্রির সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালু রয়েছে। ক্রেতারা দাম হাঁকেন ৪ লাখ টাকা, কিন্তু খামারি মিজানুর রহমান বলেন, তাঁর দাম টাকায় গরু বিক্রি করলে অর্ধেক খরচ উঠবে না।

উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে সরগরম হয়েছে। গত বছর প্রাচীন এ হাটে বড় গরুর আমদানি বেশি ছিল, দাম কম। তবে কোরবানি ঈদ ঘিরে প্রতিবছর গরু কেনাবেচা বেশি জমজমাট হয়।

Leave a Comment