কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করলেন তৃণমূলের এমপি মহুয়া মৈত্র
কলক ত হ ইক র ট ম – কলকাতা হাইকোর্টে তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি মহুয়া মৈত্র এবং অন্যান্য ব্যক্তিরা নতুন পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার মাধ্যমে তারা দাবি জানাচ্ছেন যে এই নতুন নিয়মগুলি পশু জবাই করতে দেওয়া হয়েছে সরকারি আদেশের আওতায় এবং এটি গ্রামীণ অর্থনীতি ও ধর্মীয় রীতিনীতি উভয়কে প্রভাবিত করবে। মামলার মাধ্যমে তৃণমূলের মানদণ্ডগুলি বৈধতা প্রমাণের প্রক্রিয়া কী করে পরিবর্তিত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
প্রস্তাবের মূল বিষয়গুলি
কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়েরের প্রধান আস্থাভিত্তিক দাবি হল পশু জবাই প্রক্রিয়ার নতুন আদেশ বৈধতা প্রমাণের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন সৃষ্টি করেছে। সরকার যে নতুন নিয়ন্ত্রণ আদেশ জারি করেছে তার প্রতি তৃণমূলের মানদণ্ড কিছু আপত্তি তুলছে। তাদের মতে, নতুন আদেশে পশুটি জবাইয়ের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য একটি ‘ফিট সার্টিফিকেট’ আবশ্যক হয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের বেশি অসুবিধা সৃষ্টি করবে। কলকাতা হাইকোর্টের তদন্ত দ্বারা সেই নিয়ন্ত্রণ আদেশের মূল বিষয়গুলি পরীক্ষা করা হবে।
আইনের আওতায় আদেশ জারি করা হয়েছে
১৯৫০ সালের পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে যে বিষয়টি গ্রামীণ জনগণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। সরকার নতুন নিয়মগুলি প্রকাশ করেছে যেখানে কেবল বয়স্ক অথবা নিরাময় অযোগ্য রোগে আক্রান্ত পশুদের জবাই করা অনুমোদিত। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস এই আদেশের মূল কারণগুলি পরীক্ষা করে দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই মামলার সফলতা দ্বারা নতুন আইনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।
কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে যে সরকারের নতুন নিয়ন্ত্রণ আদেশ সাধারণ মানুষের ব্যবহারে বাধা দেবে। তৃণমূলের দাবি হল যে নতুন আইন পশু জবাই করতে দেওয়া হয়েছে তাদের কেবল কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষা পাস করার জন্য। তাদের মতে, এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি প্রক্রিয়া কিছু সময় সৃষ্টি করেছে যা ব্যবসায়ীদের জন্য কষ্টকর। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার আগে অনেক বাছুর ও গরু জবাই করার প্রক্রিয়া পরিবর্তন হয়েছে।
রাজ্য সরকারের প্রতিক্রিয়া
কলকাতা হাইকোর্টে মামলার প্রতিক্রিয়া নিয়ে সরকার কিছু বিষয় উল্লেখ করেছে। তারা দাবি জানাচ্ছেন যে নতুন আইন পশু জবাই করতে দেওয়া হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। নতুন নিয়ন্ত্রণ আদেশ দ্বারা পশু জবাই করতে দেওয়া হয়েছে আগে তাদের চিকিৎসকদের পরীক্ষার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার প্রতিক্রিয়া নিয়ে সরকার তাদের বিশ্বাস প্রকাশ করেছে যে এই আদেশ সর্বোত্তম স্বাস্থ্য পরিবেশ গড়ে তোলবে।
অন্যান্য �
