৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সুজন নিহত হন কি না জানি না: জেরায় কনস্টেবল মোবারক
৫ আগস ট য ত র ব – ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র নিহত হন কি না সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন কনস্টেবল মো. মোবারক হোসেন। তিনি জেরার সময় বলেন, সেই দিন তিনি যাত্রাবাড়ী থানায় অপরাধ তদন্নী করছিলেন এবং সুজন চন্দ্র যাত্রাবাড়ী থানার অস্ত্রাগার ইনচার্জ ছিলেন। তাঁদের জেরা করা হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে নিহত হন কি না তা এখনও অনিশ্চিত।
জেরার মূল তথ্য আবুল হাসানের সাক্ষীতে
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র নিহত হন কি না সে বিষয়ে কনস্টেবল মোবারক হোসেন অনিশ্চিত ছিলেন। তিনি বলেন, তাঁর জানা ছিল না যে সেই দিন চায়না রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি জেরায় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের প্রশ্নের প্রতি সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছিলেন।
যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান চায়না রাইফেল ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জেনেছেন কনস্টেবল মোবারক হোসেন। তিনি জানায় যে চায়না রাইফেল যাত্রাবাড়ী থানার অপরাধ মামলায় ব্যবহার করা হয়েছিল। তাঁদের জেরায় বলা হয়েছে যে সুজন চন্দ্র নিহত হন কি না সে বিষয়ে প্রতিবেদন সংক্রান্ত তথ্য প্রাপ্ত হয়নি।
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক অস্ত্রাগার ইনচার্জ সুজন চন্দ্র নিহত হন কি না তা প্রাপ্ত হয়নি বলে জেনেছেন কনস্টেবল মোবারক হোসেন। তিনি বলেন যে তাঁর জানা ছিল না অপরাধ মামলায় গুলি ব্যবহার করা হয়েছিল। তাঁদের জেরায় বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সুজন চন্দ্র নিহত হন কি না সে বিষয়ে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
মামলার পরিস্থিতি এবং আসামি তালিকা
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সম্পর্কে জেরার প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে সুজন চন্দ্র নিহত হন কি না তা স্পষ্ট নয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আসামিপক্ষের আইনজীবীদের জেরা করা হয়েছে এবং তাঁদের প্রতিবেদন অনুযায়ী নিহত হন কি না সে বিষয়ে কোন স্পষ্টতা নেই।
মামলার আসামির মধ্যে নানা কর্মকর্তাদের নাম উঠেছে। তারা হলেন ডিএমপি সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ �
