জমজমাট আয়োজন, ভরপুর আনন্দ
জমজম ট আয় জন ভরপ র আনন – আয়োজনটি ছিল জমজমাট, যা আনন্দ প্রকাশ করেছিল ভরপূর ভাবে। কিশোর আলো পাঠক, স্বেচ্ছাসেবক এবং তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকদের আকর্ষণ করে রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আলোকি কনভেনশন সেন্টারে সংগঠিত হয়েছিল কিশোর আলোর ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬।
আয়োজনে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক সহযোগিতা করছিল। গোল্ড পার্টনার ছিল মাইটি চিপস। চিকিৎসা সহায়তা করেছিল ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। আলোকি ভেন্যু সহায়তা করেছিল।
অনুষ্ঠানটি দুই পর্বে সংগঠিত হয়। সকালে গানের উপস্থিতি ছিল নিজস্ব পরিবেশন করা হয়। ধনধান্য পুষ্পভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা গানটি সুরবিহার ক্রিয়েটিভ অ্যান্ড পারফরম্যান্স সেন্টারের শিল্পীরা পরিবেশন করেন। আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন শিশুদের জন্য আলোকচিত্র নিয়ে কথা বলেন।
বিশেষ আহ্বান প্রদান করেন কিশোর আলোর সম্পাদক
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, অন্যের চাপিয়ে দেওয়া পথে নয়, বরং নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর শুনে এগিয়ে যাওয়াই জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। সফলতা বা ব্যর্থতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের স্বপ্ন ও আনন্দের জায়গাকে অনুসরণ করা।
বক্তব্যের আরেক অংশে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, মানুষ শুধু পাওয়ার মধ্যে বড় হয় না, বরং ত্যাগ ও দেওয়ার মধ্য দিয়েই প্রকৃত মহত্ত্ব অর্জন করে। শিশু-কিশোরদের জন্য শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যের জন্যও কিছু করার মানসিকতা গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।
সৃজনশীল চিন্তার আহ্বান জানান লেখক আহসান হাবীব
লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব বলেন, কেউ খারাপ আঁকে না—প্রত্যেকের আঁকার মধ্যেই আলাদা একটি স্টাইল ও আইডিয়া থাকে। আর সেই স্বকীয়তা তুলে আনার দায়িত্ব শিক্ষকের।
টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক শিশুদের অনুপ্রেরণা জোগানোর জন্য মঞ্চে ওঠেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সুর মেলান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে উপস্থিত হন।
যোগ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক মনজুর বিষয়গুলো বুঝে পাঠ করার ওপর জোর দেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে শিশু-কিশোরদের সচেতনতামূলক অধিবেশন নেন ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. তরিকুল ইসলাম।
আয়োজনে জাদু পরিবেশন করেন জাদুশিল্�
