Uncategorized

প্রাক্‌–বাজেট সংবাদ সম্মেলন: ওয়াশ খাতে ৩ বছরে ৪০ ভাগ বরাদ্দ কমেছে, সংকটে গ্রামের মানুষ

প্রাক বাজেট সংবাদ সম্মেলন: ওয়াশ খাতে তিন বছরে প্রায় চার দশমিক পাঁচ শতাংশ অর্থায়ন কমেছে, গ্রামের মানুষ সংকটে প র ক ব জ ট স - রাষ্ট্রীয় বিশ্লেষণ অনুসারে

Desk Uncategorized
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রাক বাজেট সংবাদ সম্মেলন: ওয়াশ খাতে তিন বছরে প্রায় চার দশমিক পাঁচ শতাংশ অর্থায়ন কমেছে, গ্রামের মানুষ সংকটে

প র ক ব জ ট স – রাষ্ট্রীয় বিশ্লেষণ অনুসারে, ওয়াশ খাতে গত তিন বছরে বরাদ্দ প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এতে ভুক্তভোগী হচ্ছেন গ্রামাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষ। এ বিষয়ে গভীর চিন্তা প্রকাশ করেছে নেটওয়ার্ক অব ওয়াশ নেটওয়ার্কস যে মূলত ওয়াশ খাতে কাজ করা এনজিওদের জোট।

আজ বুধবার রাজধানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ জোটের প্রতিনিধিরা ওয়াশ খাতের সংকটের চিত্র তুলে ধরেন। এ সম্মেলনে বাজেট বিশ্লেষণ যৌথ উদ্যোগে করা হয়েছিল ওয়াটারএইড ও পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) সাথে। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ওয়াশ খাতে বরাদ্দ কমেছে ব্যাপকভাবে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ওয়াশ খাতে সরকারি অর্থায়ন সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা ছিল। কিন্তু এর পর থেকে বরাদ্দ তীব্র ও ধারাবাহিক পতন হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বরাদ্দ দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আরও কমে ১১ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ওয়াশ খাতে বরাদ্দ সর্বনিম্ন ১০ হাজার ৯০১ কোটি টাকায় ঠেকেছে। মাত্র তিন বছরে এই বরাদ্দ কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। এটি দেশের ক্রমবর্ধমান জাতীয় উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে জনস্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার অবকাঠামো ও পানিব্যবস্থার মতো মৌলিক খাতে বরাদ্দ সংকোচনের চরম বৈপরীত্য প্রকাশ করে।

“২০২২-২৩ অর্থবছরে ওয়াশ খাতে বরাদ্দ সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭২৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। তবে এর পর থেকে এই খাতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে তীব্র ও ধারাবাহিক পতন শুরু হয়েছে,” বলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও পিপিআরসির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান।

প্রাথমিক বহুগুচ্ছ নির্দেশক নমুনা জরিপের সূত্র ধরে (মিকস) অনুযায়ী, দেশের ৯৮ শতাংশ মানুষ উন্নত পানির উৎস ব্যবহার করছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে নিরাপদ ব্যবস্থাপনার আওতাধীন সুপেয় পানি পাচ্ছে দেশজুড়ে মাত্র ৫৫ শতাংশ মানুষ। গ্রামীণ এলাকার টিউবওয়েলে আর্সেনিক ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং কাঠামোগত অর্থায়নের বৈষম্যের কারণে শহরের সুপেয় পানির সুবিধা (৭১ শতাংশ) ও গ্রামের সুবিধার (৪৮ শতাংশ) মধ্যে ২৩ শতাংশের এক বিশাল ব্যবধান রয়ে গেছে।

ওয়াশ উন্নয়ন বাজেটের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই বরাদ্দ দেওয়া হয় শহর অঞ্চল, পৌরসভা ও পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষকে (ওয়াসা)। আরও আশঙ্কাজনক বিষয়

Leave a Comment