নতুন ধারা বাংলাদেশের ছয় নেতার কারাগারে পাঠানোর আদেশ
Banglaprabah.com – ম ম ন ম হ দ শ – রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সংগঠনটির ষষ্ঠ নেতৃত্বকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ প্রদান করেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা এই তালিকায় অন্যতম। তাদের পাশাপাশি ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল এবং হরি সরকারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে যে, আসামিরা আওয়ামী দোসর এবং বর্তমান সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত। নতুন ধারা বাংলাদেশ নামক এই সংগঠনের নেতারা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে সরকারবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
শান্তা ফারজানা ঢাকা মেডিকেলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ এবং জুলাই আন্দোলনকে ‘জঙ্গি আন্দোলন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এছাড়া তিনি জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে ‘মাদকাসক্ত ও নেশাখোর’ বলে কটাক্ষ করেন।
আসামিরা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। প্রতিবাদ করতে গেলে আল নুর মোহাম্মদ আওয়াজের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ও মামলার বিবরণ
মঙ্গলবার রাতে বাবুল সরদার নামের এক ব্যক্তির করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তা ফারজানার নেতৃত্বে আসামিরা উসকানিমূলক স্লোগান দেন ও মিছিল করেন।
এই মিছিলে বাধা দিতে গেলে আল নুর মোহাম্মদ আওয়াজ এবং জুলাই আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশি অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, পাইপ, চেয়ার ও হকিস্টিক নিয়ে হামলা চালানো হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে কিছু তথ্য দিলেও তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করেননি। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জামিন আবেদন নামঞ্জুর
বৃহস্পতিবার মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানার নামে একাধিক ওকালতনামা থাকায় তাদের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। অপর চার আসামির পক্ষে আইনজীবী মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিন আবেদন করেন।
তিনি আদালতে বলেন, শান্তা ফারজানাকে আওয়াজ নামের এক ব্যক্তি চার মারার ঘটনায় তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন। সেখানে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। গ্রেপ্তার চারজন ওই ঘটনার সাথে জড়িত নন।
রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, আসামিরা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। প্রতিবাদ করতে গেলে আল নুর মোহাম্মদ আওয়াজের ওপর হামলা চালানো হয়।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরবর্তীতে তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ম ম ন ম হ দ শ?
ম ম ন ম হ দ শ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ম ম ন ম হ দ শ matter?
ম ম ন ম হ দ শ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
