ইরানকে পাঁচ দফা তালিকা দিল যুক্তরাষ্ট্র, রাজি নয় তেহরান
ইর নক প চ দফ ত ল – যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনার লক্ষ্যে সর্বশেষ প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানকে একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে বাধ্য করতে চান, যেখানে সব ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের হাতে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া ইরানের সম্পদের অন্তত দুই তৃতীয়াংশ জব্দ করা যাবে না বলে তিনি সর্বশেষ প্রস্তাবে স্পষ্ট করেছেন।
গত শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা ঘটে। সেখানে একটি জেনারেটরে আগুন লাগে, কিন্তু হতাহত ঘটনা ঘটেনি। অন্যদিকে কাতার ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রোববার ইরান সম্পর্কে কথা বলেছেন।
আধা ঘণ্টার বেশি এ ফোনালাপে ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরুর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা এবং তাঁর সাম্প্রতিক চীন সফর সম্পর্কে নেতানিয়াহুকে অবহিত করেন ট্রাম্প।
রোববার ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
গত সপ্তাহে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তার অনুরোধের জন্য পাকিস্তান ও অন্য মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা চলছে এমন করে চুক্তি অর্জনের জন্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবে ইরান সম্পর্কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ গত শনিবার দ্য টাইমসকে বলেন, দ্বিতীয় দফায় সরাসরি বৈঠক সম্ভব হলে চুক্তির প্রক্রিয়া অগ্রগতি পাবে।
তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভি। যুদ্ধবিরতির কথা বলেছে ওয়াশিংটন, যখন আলোচনা শুরু হবে তখন সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ হবে। এর পর ইরান নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের জানা উচিত, ইরানে আবার হামলা হলে তাঁর দেশের সম্পদ ও সামরিক বাহিনী নজিরবিহীন খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, ইরান ও মার্কিন প্রশাসন থেকে শুরু করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সব পক্ষের আস্থা অর্জন করেছে পাকিস্তান।
ইরানের আরেকটি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কোনো দৃশ্যমান ছাড় না দিয়েই সুবিধা আদায় করতে চায়, যা তারা যুদ্�
