নেওয়াজের ডোপিংয়ের দায়ে তিন মাস নিষিদ্ধ হয়েছে
ড প য় র দ য় ৩ – পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নেওয়াজকে ডোপিংয়ের দায়ে তিন মাস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) যা টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় কলম্বোতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলার পর প্রমাণ পেয়েছে। আইসিসির মাদকবিরোধী আইন অনুযায়ী, নেওয়াজের শরীরে কার্বক্সি-টিএইচসি পদার্থ পাওয়া যায়, যা ডোপিংবিরোধী বিধিমালার তালিকাভুক্ত মাদক পদার্থ। আইসিসি ঘোষণা করেছে যে নেওয়াজের ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের কিছু পারফরম্যান্স রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
ডোপিং কোন দাবি প্রতিষ্ঠিত করেছিল?
নেওয়াজ জানিয়েছেন যে তিনি টুর্নামেন্টের সময় ডোপ পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো মাদক গ্রহণ করেননি। তাঁর দাবি, প্রমাণ পেয়ে এটি বাতিল করা হয়েছে কারণ এটি পারফরম্যানস উন্নতির জন্য নেওয়া হয়নি। আইসিসির তদন্নী বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার প্রমাণ প্রয়োগ করেছে, যা তাঁর নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি নিষিদ্ধ হওয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে, যার কারণে তিনি আবার খেলায় ফেরত পেতে পারেন।
নেওয়াজ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। তিনি আরো জানান যে তাঁর মাদক গ্রহণ করা হয়নি টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে। সেই সময়ে তিনি ডোপ পরীক্ষার জন্য যথাযথ কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করেননি বলে দাবি করেছেন। এটি তাঁর সম্প্রদানের দায়িত্বের কারণে হয়েছে বলে আইসিসি ঘোষণা করেছে।
নিষিদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া কী ছিল?
আইসিসির ধর্মপত্র অনুযায়ী নেওয়াজের প্রাথমিক শাস্তি ছিল তিন মাস, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছিলেন। সেই দিন থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কার্যকরীতা শুরু হয়। নেওয়াজ যখন মাদকবিরোধী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, তখন তাঁর শাস্তি এক মাসে কমে গেছে। এই ব্যবস্থা আইসিসির মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় আবার জানানো হয়েছে যে পারদর্শী প্রমাণ পাওয়ার পর নিষিদ্ধ হওয়ার পরিমাণ সামান্য কমে যেতে পারে।
আইসিসি ঘোষণা করেছে যে নেওয়াজ খেলার সময় মাদকবিরোধী প্রমাণ পেয়েছেন, কিন্তু তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চান। যদি তিনি সম্পূর্ণ করেন, তবে এই ঘটনায় আর কোনো নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হবে না। আইসিসি আমাদের জানাচ্ছে যে এই ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করা হয়
