Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৬ মাস থেকে ৯ বছরের শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২ সপ্তাহের মধ্যে হামের টিকা দিতে হবে

Published October 19, 2026 · Updated October 19, 2026 · By Michael Martin - banglaprabah.com

Foto : Michael Martin - banglaprabah.com

৬ ম স থ ক ৯ বছর বয়সী টিকা না পাওয়া শিশুদের অগ্রাধিকার

Banglaprabah.com – ৬ ম স থ ক ৯ বছর - হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ৬ ম স থ ক ৯ বছর বয়সী টিকা না পাওয়া শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছে যৌথ স্বাধীন মূল্যায়ন দল। সংক্রমণ বেশি এবং টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বেশি—এমন জেলাগুলো চিহ্নিত করে দুই সপ্তাহের মধ্যে কার্যক্রমটি বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ও টিকায় প্রতিরোধযোগ্য রোগের নজরদারি পর্যালোচনায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ৭০ সদস্যের দলটি এ সুপারিশ দেয়। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক কর্মশালায় গত বুধবার মূল্যায়নের ফল উপস্থাপন করা হয়।

কেন জরুরি ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার সুপারিশ

মূল্যায়ন দলের মতে, টিকাদানে ঘাটতির কারণেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বড় আকার নিয়েছে। ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার বাইরে থেকে গেছে। ২০২৫ সালে হাম–রুবেলার টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়া এবং দুই বছরের বেশি বয়সী শিশুদের নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়াও পরিস্থিতিকে জটিল করেছে।

এ বছর মার্চে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ৫ এপ্রিল হাম–রুবেলা টিকার জাতীয় ক্যাম্পেইন শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ২০ মে। এরপর নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের টিকা দেওয়া অব্যাহত থাকলেও হাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ১ হাজার ৩১৯ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৬ জন রোগী হাসপাতালে এসেছে এবং ১ হাজার ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নজরদারি ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় জোর

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জ্বর ও র‍্যাশ থাকা সন্দেহভাজন সব রোগীর নাম, ঠিকানা, বয়স ও লিঙ্গসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং হালনাগাদ রোগী ব্যবস্থাপনা নির্দেশনা রাখা জরুরি।

প্রাদুর্ভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত ছয় মাস বয়সে হাম–রুবেলার টিকা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ছয় মাসের কাছাকাছি বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা রাখার সুপারিশ রয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে মূল্যায়ন দল।

দীর্ঘমেয়াদি টিকাদান পরিকল্পনা

ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টিকার বাইরে থাকা শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করতে স্থানীয় টিকাদান পরিকল্পনা হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টিকাদানে শিশুদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা দুই বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার কথাও বলা হয়েছে। ৬ ম স থ ক ৯ বছর বয়সী যেসব শিশু আগে টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত শনাক্ত করাই এখন অগ্রাধিকার।

বিদ্যালয়ে ভর্তির সময় শিশুদের টিকাদান কার্ড যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে দলটি, যাতে বাদ পড়া শিশুদের শনাক্ত করে টিকা দেওয়া যায়। পরবর্তী হাম–রুবেলা ক্যাম্পেইনের পরিকল্পনা যথাসময়ে করার কথাও বলা হয়েছে। সম্ভাব্য ওই ক্যাম্পেইন ২০২৯ বা ২০৩০ সালে হতে পারে।

যৌথ স্বাধীন মূল্যায়ন দলের সুপারিশগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও হাম মোকাবিলায় কমিউনিটির সম্পৃক্ততার বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাওয়া দরকার বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেন।

প্রশ্নোত্তর

কোন শিশুদের আগে টিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?

টিকা না পাওয়া ৬ ম স থ ক ৯ বছর বয়সী শিশুদের আগে শনাক্ত করে টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব জেলায় সংক্রমণ ও টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বেশি, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

কত সময়ের মধ্যে এই কাজ শেষ করার সুপারিশ?

শিশু বাছাই এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক টিকাদান—দুই কাজই দুই সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে যৌথ স্বাধীন মূল্যায়ন দল।

জ্বর ও র‍্যাশ দেখা দিলে কী তথ্য নথিভুক্ত করা জরুরি?

সন্দেহভাজন রোগীর নাম, ঠিকানা, বয়স ও লিঙ্গসহ সাধারণ তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ৬ ম স থ ক ৯ বছর?

৬ ম স থ ক ৯ বছর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ৬ ম স থ ক ৯ বছর matter?

৬ ম স থ ক ৯ বছর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.