৬ মাসেও ১০ম গ্রেডের বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা
৬ ম স ও ১০ম গ র – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১০মে উন্নীত করার প্রস্তাব আটকে আছে। তাঁদের আগের গ্রেড অনুযায়ী বেতন পাওয়ার জন্য অবশ্য তাঁদের কার্যালয়ে বেতন নির্ধারণের কাজ শুরু হয়নি। বিষয়টি নিয়ে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারের সঙ্গে রোববার বসে আলোচনা করা হবে। আশা করা হচ্ছে এই সমস্যা দ্রুত সমাধান পাবে।
গ্রেড বাড়ানোর রায় ও বাস্তবায়নে বিলম্ব
২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড বাড়ানোর প্রস্তাবও আটকে আছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ডিসেম্বরে প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের পর ছয় মাস পেরোলেও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে তাঁরা আর্থিক ক্ষতি ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। নবম পে-স্কেলের বেতন নির্ধারণের আগে গ্রেড প্রদান না হলে সীমাহীন বেতনবৈষম্যের শিকার হবেন বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, আদালতের রায়ের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নির্ধারণের কাজ করা হয়েছে। তবে সারা দেশে এই পরিবর্তন প্রয়োগ করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে গ্রেড বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে সাধারণত দীর্ঘসূত্রতার কারণে।
সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি
২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১তম করার প্রস্তাব জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়। কিন্তু কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়নি। বিষয়টি কমিশনের কার্যপরিধির বাইরে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগের সঙ্গে বেতন গ্রেড বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে কর্মরত সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম করলে বছরে অতিরিক্ত খরচ হবে প্রায় ৮৩১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বর্তমানে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে এক কোটির বেশি শিক্ষার্থী এবং পৌনে চার লাখের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ সাড়ে তিন লাখের বেশি। এখন কর্মরত আছেন সাড়ে তিন লাখের বেশি।
আইনি জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ ছিল। এখন সেই পদে সহকার
