Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হামে মৃত্যু থামছে না

Published August 12, 2026 · Updated August 12, 2026 · By James Jackson - banglaprabah.com

Foto : James Jackson - banglaprabah.com

হামে মৃত্যু থামছে না: টিকাদান সঙ্কট ও সমাধান

Banglaprabah.com – হ ম ম ত য থ মছ - গণটিকা দেওয়ার প্রায় তিন মাস পার হলেও বাংলাদেশে হামের আক্রমণ থামেনি। প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচির পরও এভাবে হাম ছড়িয়ে পড়া এবং মৃত্যু অব্যাহত থাকা অস্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশে এখন সেটিই ঘটছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে আজ বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৫ জন। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজকে পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে ৮৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯৪ জন। অন্তত গত দুই দশকে বাংলাদেশে হামে এত মৃত্যু এবং এত বেশি রোগীর সংখ্যা দেখা যায়নি।

চারটি বড় ভুলের কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ

বিশেষজ্ঞদের মতে, চারটি বড় ভুলের কারণে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়েছে। এগুলো হলো ২০২৪ সালে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি না করা, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়মিত টিকাদানে গাফিলতি, চলতি বছরে ব্যাপক সংক্রমণের পরও হামকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা না করে গতানুগতিক পদ্ধতিতে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সর্বশেষ গণটিকা কর্মসূচিতে প্রায় ৪০ লাখ শিশু বাদ পড়ে যাওয়া।

সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদানে একসময় বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত ছিল। নিয়মিত টিকাদান ও জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচির কারণে হামসহ বিভিন্ন রোগের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টিকাদানের ঘাটতিকেই বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনস্বাস্থ্যবিদ বে-নজির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০২০ সালের হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির পর ২০২৪ সালে আবার এ ধরনের কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা হয়নি। এটি ছিল বড় ভুল।

এরপর ২০২৫ সালে বছরজুড়ে টিকাদানে গাফিলতি দেখা গেছে। চলতি বছর গণটিকাদান শুরু হলে দেখা গেল, প্রায় ৪০ লাখ শিশু এর বাইরে রেখে গেছে। এটিও বড় ধরনের ভুল। বে-নজির আহমেদ বলেন, এর ফলে এখন পাঁচ বছরের বেশি বয়সী এবং ৯ মাসের কম বয়সী শিশুরাও হামের ঝুঁকিতে পড়েছে। এমনকি বেশি বয়সী মানুষের মধ্যেও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

হাম প্রতিরোধে করণীয়

বিশেষজ্ঞরা হাম প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় শক্তিশালী করা, গণটিকায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করা প্রয়োজন। হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

হাম কী এবং এটি কীভাবে ছড়ায়? হাম একটি সংক্রামক রোগ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা ছিঁচকে ছিটকে থাকা ছত্রাকের মাধ্যমে এটি অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

হামের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী? হামের প্রধান লক্ষণ হলো জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লাল দানা উঠা।

হাম থেকে কীভাবে বাঁচা যায়? হাম থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকাদান। এমআর টিকা (Measles-Rubella) দুই বার দেওয়া প্রয়োজন। প্রথম টিকা ৯-১২ মাস বয়সে এবং দ্বিতীয় টিকা ১৫-১৮ মাস বয়সে দেওয়া হয়।

বর্তমান হামের সংক্রমণ কেন এত বেশি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৪ সালে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি না হওয়া, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টিকাদানে গাফিলতি এবং গণটিকায় ৪০ লাখ শিশু বাদ পড়ে যাওয়ার কারণে বর্তমান সংক্রমণ এত বেশি।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is হ ম ম ত য থ মছ?

হ ম ম ত য থ মছ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does হ ম ম ত য থ মছ matter?

হ ম ম ত য থ মছ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.