হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
প্রতিবেদনে উপস্থাপিত তথ্য
হ ম র উপসর গ ন য় – হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশু মৃত্যুর খবর এলোমেলো প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৭৩ দিনে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৬০ জন দাঁড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত সর্বমোট হাম রোগী হিসাবে ৮ হাজার ৮৩৪ জনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এ সময়ে হামের উপসর্গ দেখা গেছে দেশজুড়ে ১ হাজার ৫৬ জনের মধ্যে। অতএব, শিশুদের ক্ষেত্রে আরও একটি কৌতূহল উপস্থিত হয়েছে যে প্রায় ৪৭২ জন শিশু এই রোগে মৃত্যুবরণ করেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে পাঁচ শিশুর জন্য, যাদের মধ্যে দুই জন ঢাকা বিভাগের, দুই জন ময়মনসিংহ বিভাগের এবং একজন রাজশাহী বিভাগের। যার মাধ্যমে হামের উপসর্গ দেখা গেছে এই সময়ে প্রায় ১ হাজার ১০৩ শিশু হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে মোট ৬৭ হাজার ৭৯ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে যে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রাচুর্য খুবই উল্লেখযোগ্য।
আশংকা এবং সংকট
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও বেশি মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ছে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা উপস্থিত হয়েছে। তারা ঘোষণা করেছেন যে রোগের উপসর্গ দেখা গেছে কৌণিক হাজার শিশু মধ্যে এবং প্রতিদিনের ভর্তি সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি অধিকাংশ হাসপাতালে শিশু রোগীদের সংখ্যা দেখা যাচ্ছে একটি উদ্ভট পরিস্থিতি হিসেবে। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পরিস্থিতি অনুমান করা হচ্ছে অতি প্রাচুর্য সৃষ্টি করতে পারে। যদিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে হাম রোগী হিসাবে মোট ৫৩ হাজার ৪৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
রোগের ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত এক মাসে হামের উপসর্গ দেখা গেছে প্রায় ৬৭ হাজার ৭৯ জনের মধ্যে। তারা একটি উদ্ভট আকারে পরিচিত হচ্ছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির পরিস্থিতি হিসাবে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রাচুর্য বেশি দেখা যাচ্ছে। আরও একটি আশঙ্কা উপস্থিত হয়েছে যে হাম রোগীদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেই সাথে মৃত্যুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত মাসে মোট হাম রোগী হিসাবে ৮ হাজার ৮৩৪ জন শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪৯ হাজার ৯০৩ জন শিশু হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে আরও বেশি মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী গৃহীত ব্যবস্থা বেশি সঠিক হয়েছে। তারা একটি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছেন যাতে শিশুদের জন্য কৌশলগত সহায়তা বৃদ্ধি পাবে।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম
