হলের আসন দখল নিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
নোবিপ্রবিতে হলের আসন দখল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০
Banglaprabah.com – হল র আসন দখল ন য় ন - নো০াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ক্যাম্পাসে হলের আসন দখল নিয়ে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ দুই শিবিরের মধ্যে পরপর দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই দ্বন্দ্বের ফলে উভয় পক্ষ থেকে কমপক্ষে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পুরো কমিটি বিলুপ্তের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
বিরোধের উৎস ও সংঘাতের ধাপ
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে দীর্ঘদিন ধরে সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের সঙ্গে সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের মধ্যে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ঘষাঘষি চলছিল। সম্প্রতি আবদুল মালেক উকিল হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষে একটি আসন খালি পড়ে যাওয়ায় সেই আসন কারা দখল করবে, তা নিয়ে নতুন করে তীব্র সংঘাতের সৃষ্টি হয়। গত সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে হলের ভেতর ও ছাদে পাল্টাপাল্টি মারামারি শুরু হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
দুপুরে সংঘ্রষের দ্বিতীয় দফায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা হাতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। তারা ভাষাশহীদ সালাম হল, আবদুল মালেক উকিল হল, গোলচত্বর ও অডিটোরিয়াম ভবনের সামনে কয়েকজনকে ধাওয়া ও মারধর করে। আবদুল মালেক উকিল হলের দুটি কক্ষে ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া যায়।
আহতদের চিকিৎসা, বহিরাগতদের আটক ও সাংবাদিকদের লাঞ্ছনার অভিযোগ
আহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে: ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের শামিম হোসেন (২৪), ব্যবসা প্রশাসনের কারিম হোসেন (২২) এবং পরিসংখ্যান বিভাগের আনিছুর সিফাত (২২)। প্রাথমিক চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে দেওয়া হয়; পরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নো০াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি আহতদের আশপাশের হাসপাতালে প্রাথমিক সেবা দেওয়া হয়েছে।
সংঘর্ষের সময় বহিরাগত তরুণ-যুবকদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে, তবে তারা কোন পক্ষের প্রতিনিধি তা নিশ্চিত হয়নি। রাতে ভিডিও ধারণরত দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিফাত ও প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজনের মুঠোফোন কেড়ে ভিডিও ফুটেজ মুছে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রশাসনের পদক্ষেপ ও কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত
খবর পেয়ে উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রাব্বানি ও প্রক্টর এফ এম আরিফুর রহমানসহ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে; কমিটির প্রথম বৈঠক বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করেছেন; সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন।
প্রক্টর এফ এম আরিফুর রহমান বলেন, 'ছাত্রহলের সামান্য একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষ বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: সংঘর্ষের সরাসরি কারণ কী ছিল? উত্তর: আবদুল মালেক উকিল হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষে একটি আসন খালি পড়ে যাওয়ায় সেই আসন কোন পক্ষ দখল করবে, তা নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে তীব্র সংঘাতের সৃষ্টি হয়।
<
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is হল র আসন দখল ন য় ন?হল র আসন দখল ন য় ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does হল র আসন দখল ন য় ন matter?হল র আসন দখল ন য় ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.