হরমুজ প্রণালি আবার খুললেও জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হতে কত দিন লাগবে
হরম জ প রণ ল আব র – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত আক্রমণের প্রতিবাদে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় ইরান। এ ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুতর জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। গত রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছিলেন, বিশ্বের সব জাহাজ ইঞ্জিন চালু করো, তেল প্রবাহ আবার শুরু হোক। গতকাল বুধবার উভয় পক্ষ প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
চুক্তির খবর প্রকাশের পর তেলের দাম দ্রুত কমে যায়। কিন্তু তিন দিন ধরে এখনও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান মেরিন ট্রাফিক ঘোষণা করেছে যে এ পর্যন্ত মাত্র সাতটি জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এগুলোর মধ্যে ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারও ছিল। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্যাংকার ট্র্যাকার্স জানায়, দুই মাসে ইরানের প্রথম অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ঘটেছে।
৫৫০টির বেশি জাহাজ প্রণালির দুই পাশে আটকে আছে। উপসাগরীয় জলসীমার মাধ্যমে চলাচলের অপেক্ষায় রয়েছে সেগুলো। ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রণালিটি এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। কিন্তু ইরানি কর্মকর্তারা ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাঁদের মতে, জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সমন্বয় করা প্রয়োজন।
বিশ্বের সব জাহাজ, ইঞ্জিন চালু করো। তেল প্রবাহ আবার শুরু হোক।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আগে প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৪০টি জাহাজ তার দিয়ে চলাচল করত। প্রায় অর্ধেক জাহাজ তেলবাহী ট্যাংকার ছিল। এগুলোতে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন করা হতো। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তার বোমা হামলা শুরু করে। প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান প্রণালি বন্ধ করে। কয়েক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ চালায়।
চুক্তির ঘোষণার মাত্র এক দিন আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী নৌ অবরোধের কারণে ১৪২টি জাহাজকে অন্য পথে পাঠায়। নিয়ন্ত্রণ না মানা ৯টি জাহাজ অচল করে। আগামী শুক্রবার চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।
হরমু
