হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবার আগুন
হজরত শ হজ ল ল ব ম – হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে গতকাল রাতে আবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল ছিল বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর ফটকের পাশে মালামাল সংরক্ষণ কেন্দ্র। এ আগুনে বিমানবন্দরের পরিচালনার স্থিতিশীলতা বিপন্ন হয়েছিল এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট স্থানে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। স্থানীয় কর্মকর্তারা আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে তদন্নী চলছে।
তদন্নী প্রক্রিয়া চলছে এবং পরিস্থিতির সঠিক বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে না
ফায়ার সার্ভিসের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম ঘটনার বিবরণ দেখিয়েছেন, “আগুনের উৎস নিয়ে তদন্নী প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বিস্তারিত তথ্য আবিষ্কারের অপেক্ষা করছি।” আগুন লাগার স্থান থেকে ধোঁয়া ওঠার কারণে পাশের অঞ্চলগুলো আবরণ করা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্নী কাজের মাধ্যমে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের স্থায়ী ক্ষতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।
তদন্নী প্রক্রিয়া চলছে এবং পরিস্থিতির সঠিক বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে না।
এ ঘটনার পরে কার্গো ভিলেজের কাজ একটু স্থগিত হয়েছিল। অনুমান করা হচ্ছে যে আগুন লাগার কারণ হতে পারে বিদ্যুৎ পরিবর্তন বা গ্যাস লিকেজ। বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজে প্রতিদিন বিশাল পরিমাণে মালামাল স্থানান্তরিত হয় এবং এটি গুরুতর আগুন সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে।
পূর্বের ঘটনা প্রতিশ্রুতি
গত বছরের ১৮ অক্টোবর দুপুরে সমান স্থানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। তখন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩৭টি ফায়ার ইউনিট প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা সময় লাগে। তার ফলে চারপাশে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ হয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আহত হন ৩৫ জন ব্যক্তি, যার মধ্যে আনসার সদস্যদের সংখ্যা ২৫ জন। এ বিষয়ে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ পরিচালনার প্রক্রিয়া গুরুতর প্রভাব ফেলেছিল।
তখন আহত হন ৩৫ জন ব্যক্তি, যার মধ্যে আনসার সদস্যদের সংখ্যা ২৫ জন।
সে ঘটনার পরে বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজে বিশেষ পরিচালন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এ ঘটনার ফলে স্থানীয় স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের জন্য নতুন সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তবে এই আগুনের কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
বর্তমান আগুনের কারণ নিয়ে তদন্নী চলছে। আগুন লাগার স্থান কার্গো ভিলেজের স্থায়ী সংরক্ষণ কেন্দ্র হওয়ায় বিমানবন্দরের কার্গো সংক্রান্ত প্রক্রিয়া প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিমানবন্দরের পরিচালনা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিশদে তদন্নী করছেন। আবারও আগুন লাগার ঘটনা ঘটার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় কর্মচারীদের �
