সিরাজগঞ্জে সড়ক সংস্কারের নামে উপড়ে ফেলা হয়েছে ২০টি তালগাছ
সড়ক সংস্কার কাজের প্রক্রিয়া ও তালগাছ উপড়ে ফেলার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া
স র জগঞ জ সড ক স – সিরাজগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজের নামে উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া খামারপাড়া এলাকায় মোট ২০টি তালগাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। এই কাজ শুক্রবার ও বৃহস্পতি দুই দিন ধরে চালানো হয়, যার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বজ্রপাত রোধের জন্য সড়কের পাশে তালগাছ লাগানো। কয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাজটি সংগঠিত হয়েছে, যার ফলে অনেক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়ক সংস্কার কাজ পরিচালনার সময় ফসলি জমি থেকে মাটি সংগ্রহের জন্য তালগাছগুলি উপড়ে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে কয়ড়া খামারপাড়া এলাকার মানুষ এ বিষয়ে কমিটির প্রতিক্রিয়া চাওয়া হচ্ছে।
উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া খামারপাড়া গ্রামের নয়ন ইসলাম বলেন, “আমরা সিরাজগঞ্জ সড়ক সংস্কারের প্রয়োজন বুঝতে পেরেছি। কিন্তু অপেক্ষা করে বজ্রপাত রোধের জন্য উপড়ে ফেলা হয়েছে তালগাছগুলি। এই কাজের সময় সর্বাধিক তিন গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সরকারি প্রকল্প চলার সময় মানুষের মাটি বাঁধানো হচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করছি।”
সিরাজগঞ্জ সড়ক সংস্কার প্রকল্পটি এলাকার পরিবহন প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ কাজটি নেওয়ার পর থেকে স্থানীয় মানুষ এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও কয়ড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম বলেন, “এই কাজের জন্য সিরাজগঞ্জ সড়ক সংস্কার প্রয়োজন ছিল। আমরা তালগাছ উপড়ে ফেলার কাজে যথাযথ সতর্কতা বজায় রেখেছি। কিন্তু এই কাজ স্থানীয় বাসিন্তের আপত্তিকে ধরে রেখেছে।”
পরিবেশ ও বাসিন্তের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ
সিরাজগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। তালগাছ উপড়ে ফেলার ফলে জমি বিক্ষিপ্ত হওয়ায় স্থানীয় মানুষ তাদের বাস্তব প্রয়োজন পূরণের আপত্তি জানিয়েছেন। প্রকল্পটির জন্য কয়েকটি পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয় চর্চা করা হয়েছে। কয়েক দিন ধরে বজ্রপাত হওয়ার পর থেকে উপড়ে ফেলা হয়েছে তালগাছগুলি যার ফলে জমির বিশৃংখলা হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবেশ দপ্তরের প্রতিক্রিয়া চাওয়া হচ্ছে।
প্রকল্পটির সহকারী পরিচালক আবু বকর বলেন, “আমরা সিরাজগঞ্জ সড়ক সংস্কার করে গ্রামের সুবিধা বৃদ্ধি করত
