সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা মেহেদী-শান্তাসহ ৬ জনের জামিন নামঞ্জুর
নতুন ধারা বাংলাদেশের ৬ নেতার জামিন আবেদন খারিজ
Banglaprabah.com – সন ত র সব র ধ আইন - ঢাকার শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় নতুন ধারা বাংলাদেশ সংগঠনের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জন নেতার জামিনের আবেদন খারিজ করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "নতুন ধারা বাংলাদেশ মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করে। এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়।" তিনি আরও যোগ করেন, তাঁর মক্কেলরা মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তাই তাঁদের জামিন দেওয়া উচিত।
মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানার পাশাপাশি জামিন আবেদন করা অন্য আসামিরা হলেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরি সরকার। এদিন কয়েকজন আইনজীবী আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে ৪ আগস্ট রাতে শাহবাগ থানার বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তির করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা আওয়ামী লীগের দোসর এবং বর্তমান সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত। তাঁরা 'নতুন ধারা বাংলাদেশ' নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।
এজাহারে আরও বলা হয়, আসামি শান্তা ফারজানা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে 'অবৈধ প্রধানমন্ত্রী' এবং জুলাই আন্দোলনকে 'জঙ্গি আন্দোলন' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানা অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে শেখ হাসিনাকে বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিরা জুলাই-পরবর্তী নবগঠিত বিএনপি সরকারকে উৎখাতের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমন্বয় করে টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এজাহার অনুযায়ী, ৪ আগস্ট সন্ধ্যা সাতটার দিকে শাহবাগ থানার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তা ফারজানাসহ উল্লিখিত আসামিরা এবং অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন। এ সময় বাদী, রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ) নামের একটি সংগঠনের সদস্যসচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াস ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা এর প্রতিবাদ করলে শান্তা ফারজানার নেতৃত্বে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, পাইপ, চেয়ার ও হকি স্টিক নিয়ে হামলা চালান।
হামলায় জুলাই যোদ্ধা মহসিন, আশরাফুল ও তাওহিদ রক্তাক্ত জখম হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাদী ও আল নুর মোহাম্মদ আয়াসকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is সন ত র সব র ধ আইন?সন ত র সব র ধ আইন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does সন ত র সব র ধ আইন matter?সন ত র সব র ধ আইন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.