Uncategorized

শিশুমৃত্যুর পর অননুমোদিত হাসপাতালে অভিযান, ভুয়া ডাক্তারকে কারাদণ্ড

শিশুমৃত্যুর পর বাগমারা উপজেলার অননুমোদিত হাসপাতালে অভিযান শ শ ম ত য র পর - শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সাফল্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড

Desk Uncategorized
Published June 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শিশুমৃত্যুর পর বাগমারা উপজেলার অননুমোদিত হাসপাতালে অভিযান

শ শ ম ত য র পর – শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সাফল্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি সংকটাপন্ন অভিযান চালায়। এই অভিযানে হাসপাতালের পরিচালককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড করা হয়েছে এবং তাঁকে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিচালককে কারাদণ্ড করার সিদ্ধান্ত উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞার নির্দেশে বাগমারা থানায় সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনার পর লোকে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেয়েছে কিনা তা নিয়ে বিশেষ আলোচনা চলছে।

অননুমোদিত হাসপাতালের বিতর্ক ক্ষমতার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে

অভিযানে বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া হয়েছে সাফল্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালের অননুমোদন পত্রের অভাব ক্ষেত্রে। হাসপাতালটি কোনো চিকিৎসা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর বিশেষ নিরীক্ষণ করা হয়। এখন সেই হাসপাতালটি অবৈধ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত হয়েছে। তার স্থানীয় সদস্যরা স্থায়ী উপায় খুঁজছে তার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।

গত শুক্রবার হাবিবা খাতুন নামের আড়াই বছরের শিশু জ্বর ও পেটের ব্যথায় অসুস্থ হয়েছিল। শিশুটি নানাবাড়ি ধামিনকৌড় গ্রামে মায়ের সঙ্গে ছিল। হাট গাঙ্গোপাড়া এলাকার সাফল্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাকে নিয়ে আসা হয়। এখন চিকিৎসক আলমগীর কবির ছয়টি সিরাপ ও তিনটি ইনজেকশন দেয়। শিশুটির অবস্থা হারায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর বিশেষ সংখ্যক লোক এই হাসপাতালের সেবা থেকে দূরে সরে গেছেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত তদন্ন করে পরিচালক আলমগীর কবির অপরাধ স্বীকার করেছেন। এই কার্যকলাপে তিনি মৃত শিশুটির জন্য একটি শিশুমৃত্যুর ঘটনা বর্ণনা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, ডাক্তার আলমগীর কবির একজন হাতুড়ে চিকিৎসক। তিনি মজোপাড়া মহিলা কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তাঁর সেবার কারণে অনেকে আপত্তি জানিয়েছেন। শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর সাধারণ মানুষ আরও জোর দিচ্ছেন চিকিৎসা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনে।

‘শনিবার লাশ দাফন করেছি; আর ঝামেলা করবের চাই না, তবে ডাক্তারের এই ভুয়া চিকিৎসা বন্ধ করা হোক।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিশুর এক স্বজন বলেন। তিনি

Leave a Comment