শ ক ষ র থ র লাশ উদ্ধারের পর আওয়ামী লীগের ১৭৯ জনের নামে মামলা
শ ক ষ র থ র ল আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের (১৪) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর প্রতিষ্ঠানটি ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। ঘটনার পর তিন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার বিস্তারিত বিবরণ
মেহেদী হাসানের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার বাবা জিয়া উদ্দিন রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে অভিযুক্তদের মধ্যে সবাই হত্যার অভিযোগ এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের জন্য মুঠোফোন চুরির অপবাদ উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় নাম উল্লেখ করা হয়েছে রবিউল হাসানের নাম, যিনি রামগঞ্জ উপজেলার দেবনগর গ্রামে বাস করেন এবং উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির সামনে ভাঙচুর ও হামলা ঘটানো হয়েছে। আসামিরা জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হন। ঘটনাস্থলে বাদী ও সাক্ষীদের ওপর হামলা করা হয়। সাক্ষীদের অভিযোগে মামলাটি নিষ্পত্তি নেওয়া হয়েছে।
মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া
রামগঞ্জ থানায় তদন্ত বিষয়ে ওসি বলেন, ঘটনার সময় কারাগারে থাকা ব্যক্তি আসামি হিসেবে গণ্য হয়েছে যা খুবই দুঃখজনক। ঘটনার দিন কারাগারে থাকার বিষয়টি নথিপত্রের মাধ্যমে সহজে যাচাই করা সম্ভব। অনুসন্ধানের মাধ্যমে আসামির সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হবে।
ঢাকায় করা একটি মামলায় ৩ জুন আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১৭ জুন আদালত থেকে জামিন নিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছি। অথচ ১৬ জুন ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ভাঙচুরের ঘটনায় আমাকে আসামি করা হয়েছে, যা ক্ষোভের কারণ হয়েছে।
বর্তমানে মামলার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। শ ক ষ র থ র ল প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ করার অভিযোগ গৃহীত হয়েছে। বিদ্যালয় ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততা নিয়ে গুরুতর আলোচনা চলছে। বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী সমাজ সংস্থা ও আসামিদের প্রতিবেদন সম্প্রতি উঠেছে।
মামলার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের লাশ উদ্ধারের পর তদন্ত চালু করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-
