‘শিক্ষক গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় আমি ঠিক তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম’
ব্যাংককের কাছে স্কুলে ভয়ংকর গুলিচালনা: ৯ জনের মৃত্যু
Banglaprabah.com – শ ক ষক গ ল ব দ - সপ্তাহের শেষ দিনের ক্লাস শেষ হওয়ার পরপরই আতঙ্কিত ছাত্রছাত্রীরা দলে দলে বেরিয়ে আসতে শুরু করে। ব্যাংককের ঠিক বাইরে অবস্থিত দেবসিরিন ননথাবুরি বিদ্যালয় থেকে এই দৃশ্য দেখা যায়। শুক্রবার সকাল ৭ই আগস্ট এই ঘটনা ঘটে। নির্বিচারে গুলি চালায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর। রোয়েটার্স সংস্থার বরাতে শনিবার জানা যায়, এই হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯-এ দাঁড়িয়েছে।
স্কুলের ফটকের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী বিবিসিকে বলেন, 'শিক্ষক যখন গুলিবিদ্ধ হন, আমি ঠিক তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বন্দুকধারী যখন সেখানে পৌঁছায়, তখন তিনি আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন।' স্কুলের পোশাক পরা ওই ছাত্রী পাশে থাকা মায়ের উপস্থিতিতে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। বন্দুকধারী কীভাবে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরে বেড়িয়েছিল, সে কথাও জানান।
প্রাণ বাঁচাতে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে আমাকেও স্কুলের দেয়াল টপকাতে হয়েছিল।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, হামলাকারী নিজেকে গুলি করে হত্যার আগে পাঁচ শিক্ষক–সহপাঠীসহ ২৩ জনকে আহত করে। এর আগে ১৪ বছর বয়সী এই কিশোর তার দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করে। সে একই স্কুলের শিক্ষার্থী। স্কুলের ফটকে দাঁড়িয়ে কথা বলা ওই কিশোরীর নাম নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ করেনি বিবিসি।
ওই ছাত্রীর মা জানান, মেয়েটি ভেবেছিল সে আর বাঁচবে না। 'মেয়েটি আমাকে বলেছে, আমি ভেবেছিলাম, আমি আর কখনো তোমার মুখ দেখতে পাব না,' তিনি বলেন। ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী রোয়েটার্সকে জানায়, প্রথমে সে ভেবেছিল, কেউ বাজি ফোটাচ্ছে। ওই শিক্ষার্থী বলেন, 'প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি যে এটা বন্দুকের গুলি। অনেকগুলো আওয়াজ হচ্ছিল, ঠাস ঠাস ঠাস। এরপর কিছুক্ষণ সবকিছু নিস্তব্ধ হয়ে যায়। তারপর আবার একই শব্দ শুরু হয়।' স্কুলের ফটক থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে প্যারামেডিক কর্মীরা আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। আর ভিড়ের মধ্যে থাকা লোকজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলির পর প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ হচ্ছে। ১২ বছর বয়সী শিশুরাও আহত হয়েছে, এমন খবর শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন উদ্ধারকর্মী কিয়তিখুন ভেরাপংপ্রাদিথ। ৪৭ বছর বয়সী ভেরাপংপ্রাদিথ রোয়েটার্সকে বলেন, 'আমি গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের দেখেছি। কারও হাতে, কারও পিঠে, আবার কারও বুকে গুলি লেগেছিল। তাই আমি দ্রুত তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করি।' শোকে মুহ্যমান এক শিক্ষক বিবিসিকে জানান, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তাঁর এক বন্ধুও রয়েছেন। নাম না প্রকাশ করার শর্তে ৩১ বছর বয়সী ওই শিক্ষক বলেন, 'সে আমার বয়সী ছিল। আমরা একসঙ্গে এই স্কুলে পড়েছি। এরপর আমরা দুজনেই এই স্কুলের শিক্ষক হই।' স্কুলের একজন শিক্ষক জানিয়েছেন, হামলাকারী ভালো ছাত্র ছিল। তার মধ্যে আক্রমণাত্মক কোনো স্বভাব ছিল না। তার ফলাফলও ভালো ছিল। শিক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারী ভিডিও গেম খেলতে খুব আগ্রহী ছিল।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is শ ক ষক গ ল ব দ?শ ক ষক গ ল ব দ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does শ ক ষক গ ল ব দ matter?শ ক ষক গ ল ব দ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.