প্রেম ও প্রতিযোগিতা কেন আর্জেন্টিনার প্রতি বিশেষ ছিল
য ভ ব আর জ ন ট – বিশ্বকাপ শুরু হতে পরিবারের সমর্থন দেখে পূর্ণিমা আর্জেন্টিনার প্রতি আগ্রহ জন্মানো হয়েছিল। শৈশবে ছোটবেলা থেকে তিনি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দুই দল নিয়ে আলোচনা করতেন না। কিন্তু দেখা যায় যে ছোটবেলা থেকে সেই কম্পিটিশনে গোল করা ম্যারাডোনা ও মেসি নিয়ে আলোচনা হত। বাড়িতে আকাশি-সাদা পতাকা রাখা হত এবং দেয়ালে রং করার প্রতিযোগিতা চলত। পরিবারের সবাই ম্যারাডোনার সমর্থক ছিলেন, যা আর্জেন্টিনা করে তাঁর আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে।
আশপাশে উত্সাহ ও পতাকার স্পর্শ
বাংলাদেশে খেলার সময় বিল্ডিংগুলো আকাশি-সাদা রং করা হত, কিছুতে হলুদ ও সবুজের মিশ্রণ হত। পূর্ণিমা বলেন, ‘এসব পতাকার চেয়ে আমাদের দেশের পতাকা ছিল না। কিন্তু ওখান থেকে আমার আর্জেন্টিনার চেনা।’ তাঁর স্বামী আশফাকুর রহমান আর্জেন্টিনা জার্সি বিতরণ করেছেন বন্ধুদের কাছে এবং পরিবারের জন্য নতুন জার্সি কিনেছেন। ওর মধুর যন্ত্রণায় আমি জার্সি পরে খেলা দেখি, এর আগে কখনো এমনটা হয়নি।
তোমাকে সব সময় ভালোবাসি—জন্মদিনে স্বামীর বার্তায় যা লিখলেন পূর্ণিমা। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে যখন বিশ্বকাপ খেলা দেখি, এটা যে চার বছর পর পর আসে এটাই বুঝতাম না। যখন বোঝা শুরু করলাম, দেখি আশপাশে সবাই—ম্যারাডোনা, ম্যারাডোনা করত। ম্যারাডোনা হাত দিয়ে গোল করেছে, কী যেন রেকর্ডও ছিল—এসব আলোচনা হতো। তখন আমি দুই দেশই চিনতাম, ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। আমাদের দেশে খেলার আগে বিল্ডিংগুলো আকাশি-সাদা রং করত। ওখান থেকে আমি আর্জেন্টিনা চেনা হয়েছিল।’
আর্জেন্টিনা কেন বেশি পছন্দ করেন
ব্রাজিলের চেয়ে আর্জেন্টিনার কেন বেশি পছন্দ করেন পূর্ণিমা জানায়, ‘আর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনা ছিল, মেসি আছে—যেটা ব্রাজিলে নেই।’ ওই সময় তিনি আর্জেন্টিনার জয়ে উচ্ছ্বসিত হন। তাঁর স্বামী এবারের বিশ্বকাপে বন্ধুদের মুখে আর্জেন্টিনার সমর্থন সৃষ্টি করেছেন। তাঁর কাছে স্বামী বিশ্বকাপ খেলার উৎসাহ আরও বেশি হয়েছে।
কেরিয়ার ও প্রতিযোগিতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি
পূর্ণিমা ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ১৯৯৮ সালের ১৫ মে মুক্তি পাওয়া ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিতে রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করে তিনি প্রথম পর্দায় বড় হন। তাঁর প্রথম ছবিতেই তিনি মানুষের নজর কাড়েন। এরপর তিনি সাফল ছবির মাধ্যমে ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা হয়ে ওঠেন। কাজী হায়াত পরিচালিত ‘
