যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ, এরপর কী হতে পারে
Banglaprabah.com – য ক তর ষ ট র ইর - যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ গতকাল সোমবার শেষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের মধ্যে এই চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি না করার কথা বলেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে এই চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গত শনিবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা আবার শুরু করার বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’ আরাগচি আরও লিখেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথ নির্ধারণের বিষয়ে ইরান ওমানের সঙ্গে আলাদা একটি চুক্তি নিয়ে কাজ করছে। তবে তিনি জোর দিয়ে এ–ও বলেছেন, রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো গেলেই কেবল এটি সম্ভব। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার নিউইয়র্কে সমর্থকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেবে। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা এখনো যুদ্ধ অবসানে ইরানের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।. সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ দিনের মধ্যে ইরানি বন্দর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা ছিল। আর ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ সম্পন্ন হওয়ার পর ইরানের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া এবং ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি প্যাকেজ নিয়ে কাজ শুরু করার কথা ছিল।. পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ও দেশটির আয়োজনে গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতা স্মারক সই করেন। এই সমঝোতা স্মারক বা চুক্তির লক্ষ্য ছিল তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার এই যুদ্ধে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এ যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন, বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সমঝোতা স্মারকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী সময়ে আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছিল; যদিও এই চুক্তিতে লক্ষ্য শুধু ইরান যুদ্ধ বন্ধে তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা ছিল না। ইরান চুক্তিতে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধের শর্তও রেখেছে।.
সে সময়ে চুক্তিতে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ‘সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার ঘোষণা দেবে’। এতে আরও বলা হয়, একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ সব ফ্রন্টে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করবে। ওই চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকে আরও বলা হয়, একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ হলে সেটা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন পাবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে।. ইরানি কর্মকর্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার সব প্রতিশ্রুতি ‘লঙ্ঘন ও স্থগিত’ করেছে। এর জবাবে তেহরানও ‘নিজেদের সব প্রতিশ্রুতি স্থগিত করেছে’।. সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ দিনের মধ্যে ইরানি বন্দর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা ছিল। আর ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ সম্পন্ন হওয়ার পর ইরানের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া এবং ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি প্যাকেজ নিয়ে কাজ শুরু করার কথা ছিল। ওয়াশিংটন ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং তেহরানকে বিদেশে তাদের জব্দ থাকা তহবিলে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছিল। অন্যদিকে ইরানের হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ এবং ৬০ দিনের জন্য জাহাজগুলোকে ‘কোনো ধরনের ফি ছাড়াই’ চলাচলের সুযোগ দেওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া তেহরান আবারও নিশ্চিত করে বলেছিল, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করবে না এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে। এসব বিষয়ের বিস্তারিত ‘চূড়ান্ত চুক্তিতে’ নির্ধারণ করা হবে।.
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা চুক্তির ভাষ্যে সামান্য পার্থক্য থাকলেও চুক্তিতে সই হওয়ার পর থেকে বেশির ভাগ বিরোধ দেখা দিয়েছে আরও মৌলিক কিছু বিষয় নিয়ে। যেমন এটি কি শুধু যুদ্ধবিরতি ছিল, নাকি আরও স্থায়ী কোনো চুক্তি ছিল এবং উভয় পক্ষের কী কী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ছিল। সমঝোতা স্মারকের সব শর্ত তখনই কার্যকর হবে কি না, তা নিয়েও দ্রুত বিতর্ক শুরু হয়। সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ঘিরে আবার পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়। ট্রাম্প ইরানের আঞ্চলিক হামলাগুলোকে চুক্তির ‘নির্বোধ লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন। অন্যদিকে ইরান দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সমঝোতা স্মারকের ১ নম্বর অনুচ্ছেদ গুরুতর লঙ্ঘন। পাল্টাপাল্টি হামলা এবং পরস্পরকে দোষারোপ করার মধ্যে গত ৭ জুলাই ট্রাম্প চুক্তির ‘অবসান’ ঘোষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করে। এসব হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হন। ইরানি কর্মকর্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার সব প্রতিশ্রুতি ‘লঙ্ঘন ও স্থগিত’ করেছে। এর জবাবে তেহরানও ‘নিজেদের সব প্রতিশ্রুতি স্থগিত করেছে’। চুক্তি অবসানের ঘোষণার পর ট্রাম্প ইরানের পুনর্গঠনের জন্য অর্থ দেওয়ার বিষয়টিকে উপহাস করে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, বরং তেহরানের উচিত গত ৫০ বছরে যেসব বিক্ষোভকারীকে তারা হত্যা করেছে, তাদের পরিবারের পাশাপাশি রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা ও বিভিন্ন সংঘাতে নিহত ও গুরুতর আহত সব মানুষের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।. পাল্টাপাল্টি হামলা এবং পরস্পরকে দোষারোপ করা চলতে থাকা মধ্যে গত ৭ জুলাই ট্রাম্প চুক্তির ‘অবসান’ ঘোষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করে। এসব হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হন।. হরমুজ প্রণালি আবার চালুর বিষয়টিও বাস্তবায়িত হয়নি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, উভয় পক্ষের কর্মকর্তারাই এখনো জোর দিয়ে বলছেন, প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ তাদের নিজ নিজ পক্ষের হাতে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে পেন্টাগন জানায়, হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজে তারা গুলি চালিয়েছে। কারণ, জাহাজটি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ লঙ্ঘন করেছে।.
তেহরানের ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম আল–জাজিরাকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্ত মেনে চলেনি। ফলে যুদ্ধবিরতি থেমে গেছে এবং এর কার্যকারিতা আর নেই।’ অধ্যাপক মোস্তফা আরও বলেন, ‘তেহরানের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জব্দ থাকা সম্পদ ছাড়ার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের, নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার এবং ইসরায়েলি সেনাদের দক্ষিণ লেবানন থেকে প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে, কাগজে-কলমে যে সময়সীমার কথা বলা আছে, সেটার মেয়াদও শেষ হচ্ছে।’ .ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা পদে ‘রেড নোটিশে’ থাকা মোহসেন রেজায়ি, কেন শঙ্কায় ইসরায়েল. কাগজে–কলমে গতকাল সোমবার সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এর অর্থ ঠিক কী, তা নির্ভর করছে কোন পক্ষকে তা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, তার ওপর। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার বলেছিলেন, ‘ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে যুদ্ধের অবসানের কথা বলা হয়েছিল, যুদ্ধবিরতির নয়।’ আরাগচি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যখন থেকে সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন থেকে ৬০ দিনের কোনো যুদ্ধবিরতিই আর নেই, তাই মেয়াদ বৃদ্ধি করারও কিছু নেই। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোয় সাম্প্রতিক রদবদল থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, ভবিষ্যৎ আলোচনায় দেশটি (ইরান) আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে; বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম। উদাহরণ হিসেবে, চলতি মাসের শুরুতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) বাহিনীর সাবেক প্রধান মোহসেন রেজায়িকে দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নতুন প্রধান করা হয়।. তেহরানের উচিত গত ৫০ বছরে যেসব বিক্ষোভকারীকে তারা হত্যা করেছে, তাদের পরিবারের পাশাপাশি রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা ও বিভিন্ন সংঘাতে নিহত ও গুরুতর আহত সব মানুষের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট.
বিশ্লেষকেরা আল–জাজিরাকে বলেছেন, সামরিক ও বেসামরিক কার্যক্রমের মধ্যে আরও ভালো সমন্বয় করাই এ পদক্ষেপের লক্ষ্য। অধ্যাপক মোস্তফা বলেন, ‘রেজায়িকে নিয়োগ দেওয়া এবং সাম্প্রতিক অন্যান্য নেতৃত্বের পরিবর্তন থেকে বোঝা যায়, সম্ভবত ইরান মনে করছে, পরিস্থিতিতে তাদের প্রাধান্যই বেশি।’ এই বিশ্লেষক আরও বলেন, নতুন করে কোনো আলোচনা হলে ইরান সম্ভবত আরও বেশি দাবি নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসবে। এসব দাবির মধ্যে থাকতে পারে গাজায় যুদ্ধের অবসান, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইয়েমেনের ওপর অবরোধ তুলে নেওয়া। এমনকি ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করার দাবিও জানাতে পারে ইরান। .যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই. হরমুজ প্রণালি ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসন ইরানের সঙ্গে বাগ্যুদ্ধ আরও তীব্র করেছে। শুক্রবার ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘ইরান খুব বাজেভাবে পরাজিত হচ্ছে। তাদের পরাজিত করার কাজ শেষ করার পর আমি খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব।’ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও শুক্রবার বলেছেন, ইরানের ওপর এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। যদিও তেহরানের ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করতে চাইলেও ট্রাম্পের হাতে আর খুব বেশি উপায় অবশিষ্ট নেই। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক স্টিমসন সেন্টারের বিশিষ্ট ফেলো বারবারা স্লাভিন আল–জাজিরাকে এমন মতামতই তুলে ধরলেন। যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে গেছে, দেশটির কৌশলগত তেলের মজুতও শেষের পথে। এ ছাড়া বিমানবাহী রণতরির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক মাস বেশি সময় সমুদ্রে রাখা হয়েছে। ফলে নতুন করে চেষ্টা করার মতো সামরিক বিকল্প যুক্তরাষ্ট্রের হাতে খুব বেশি নেই। স্লাভিন বলেন, অর্থনৈতিক চাপের ক্ষেত্রে তেহরানও যে পাল্টা অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে পারে, তার প্রমাণ এত দিনে স্পষ্ট হয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের যাতায়াত ব্যাহত করে ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। স্লাভিন আরও বলেন, ‘ইরান এখানে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত পূরণ না করায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর তারা স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ। তারা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপে ফেলছে।’ .হরমুজ প্রণালি কি যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে পারে, ট্রাম্পের হুমকি কতটা বাস্তব. যেকোনোভাবেই হোক, ইরান সম্ভবত যুদ্ধের জন্য ক্ষতিপূরণ পাবে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণও অর্জন করবে—স্লাভিন এমনটাই মনে করেন। তিনি বলেন, এই সংঘাতের অবসান সম্ভবত একটি চুক্তির মাধ্যমেই হবে, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর হতে পারে—যখন ভোটের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম থাকবে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফ শনিবার তেহরানে সাংবাদিকদের বলেন, সমঝোতা স্মারকে ইরান যেসব ছাড় আদায় করে নিয়েছে, সেগুলো ‘গর্বের ও বিজয়ের’। গালিবাফ বলেন, ‘আমি পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এই যুদ্ধে আমরা সত্যিই সামরিক ও রাজনৈতিক—উভয় দিক থেকেই বিজয়ী হয়ে বেরিয়ে এসেছি।’ .যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে পরদিন সকালে বিশ্বজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখল করা হবে
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is য ক তর ষ ট র ইর?য ক তর ষ ট র ইর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does য ক তর ষ ট র ইর matter?য ক তর ষ ট র ইর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.