যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার একই দিনে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ বছরে প্রথমবার একই দিনে তিনজন দণ্ডিতের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
Banglaprabah.com – য ক তর ষ ট র ১৫ - গত বৃহস্পতিবার ওকলাহোমা, টেনেসি ও আলাবামা অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করে তিন দণ্ডিত খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। গত ১৫ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে এ প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে একই দিনে এতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনা ঘটল।
টেনেসিতে দণ্ড কার্যকর হলো অ্যান্থনি হাইন্সের
টেনেসি ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনসের (কারা কর্তৃপক্ষ) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল অ্যান্থনি হাইন্স (৬৬) নামের এক দণ্ডিত আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ন্যাশভিলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত একটি কারাগারে তাঁর এ দণ্ড কার্যকর করা হয়। ১৯৮৫ সালের মার্চ মাসে মোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও চার সন্তানের জননী ক্যাথরিন জেনকিন্সকে (৫৪) হত্যার দায়ে হাইন্স দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
দক্ষিণের এ অঙ্গরাজ্যটিতে গত মে মাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য এক আসামির সাজা কার্যকর করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সে সময় চিকিৎসাকর্মীরা তাঁর রক্তনালি বা রগ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হলে প্রক্রিয়াটি বাতিল করা হয়েছিল। এরপর অঙ্গরাজ্যটিতে এটিই প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনা।
ওকলাহোমা ও আলাবামায় দণ্ড কার্যকর হলো
ওকলাহোমার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, মধ্য-পশ্চিমের অঙ্গরাজ্য ওকলাহোমার ম্যাকালেস্টার কারাগারে কার্লোস কুয়েস্তা-রদ্রিগেজ (৭০) নামের আরেক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ২০০৩ সালে নিজের 'লিভ-ইন' সঙ্গী ওলিম্পিয়া ফিশারকে হত্যার দায়ে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে তাঁর এ দণ্ড কার্যকর করা হয়।
সর্বশেষ দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য আলাবামার ৪২ বছর বয়সী জেরেমি উইলিয়ামসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০২১ সালে কামারি হোল্যান্ড নামের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অপরাধে তাঁর এ শাস্তি হয়েছে।
চলতি বছরে মৃত্যুদণ্ডের পরিসংখ্যান
মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক তথ্যকেন্দ্র 'ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টার' (ডিপিআইসি)-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১০ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে এটিই এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। সাম্প্রতিকতম এ তিনজনের মৃত্যুর পর চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২-এ। এর মধ্যে ফ্লোরিডায় ১২ জন, টেক্সাসে ৪ জন, ওকলাহোমায় ৩ জন এবং অ্যারিজোনা, টেনেসি ও আলাবামায় একজন করে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল, যা ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০০৯ সালে দেশটিতে ৫২ জন কয়েদির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি ও পরিস্থিতি
যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর কার্যকর হওয়া মৃত্যুদণ্ডগুলোর মধ্যে ৩৯টি ক্ষেত্রে বিষাক্ত ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়েছিল। অন্যদের মধ্যে ৩ জনকে ফায়ারিং স্কোয়াডে ও ৫ জনকে নাইট্রোজেন হাইপোক্সিয়া পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। নাইট্রোজেন হাইপোক্সিয়া পদ্ধতিতে মুখের মাস্কে নাইট্রোজেন গ্যাস পাম্প করা হয়, যার ফলে কয়েদি দমবন্ধ হয়ে মারা যান।
জাতিসংঘ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে নাইট্রোজেন গ্যাসের এ ব্যবহারকে একটি নিষ্ঠুর এবং অমানবিক পদ্ধতি হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ২৩টিতে ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ড প্রথা বিলুপ্ত করা হয়েছে। অন্য তিনটি অঙ্গরাজ্য—ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন ও পেনসিলভানিয়ায় এ দণ্ড কার্যকর করার ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মৃত্যুদণ্ডের সাজা আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is য ক তর ষ ট র ১৫?য ক তর ষ ট র ১৫ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does য ক তর ষ ট র ১৫ matter?য ক তর ষ ট র ১৫ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.