সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলার ফলাফল নির্ধারণে ধরাশায়ী ট্রাম্প পরিচালনার বৃদ্ধি ঘটেছে
য ক তর ষ ট র র – গত সোমবার সুপ্রিম কোর্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে এক সামগ্রিক রায় প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি একাধিক মামলার বিষয়ে নিষ্পত্তি দেওয়া হয়েছে। এই রায়গুলোয় সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্ব, ভোটাধিকার ও যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত মামলা, এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা।
স্বাধীন সংস্থার কর্মকর্তাদের বরখাস্ত ক্ষেত্রে নির্বাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি পেল ট্রাম্প
সুপ্রিম কোর্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি নির্বাহী ক্ষমতার সীমা বৃদ্ধি করেছে। এই রায় অনুযায়ী, সরকারি সংস্থার কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করতে প্রেসিডেন্টকে কোনো কারণ দেখাতে হবে না। এই ক্ষমতা আগে কংগ্রেসের নির্ধারিত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু আদালত এখন সেটি বাতিল করেছেন।
আজ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা ৯০ বছরের পরীক্ষিত ও কার্যকর একটি ব্যবস্থা বাতিল করে এমন একটি অপরিণত নির্বাহী ক্ষমতার তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা একদিকে সর্বগ্রাসী, অন্যদিকে আবার কিছু অস্পষ্ট ব্যতিক্রমের ওপর নির্ভরশীল।
প্রধান সংস্থা ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) ডেমোক্র্যাট সদস্য রেবেকা স্লটারকে বরখাস্ত করার ঘটনা এই রায়ের অন্যতম উদাহরণ। গত বছর ট্রাম্প কোনো কারণ ব্যতিত স্লটারকে বরখাস্ত করেছিলেন। সেই অপেক্ষাকৃত নির্বাহী ক্ষমতা বাড়িয়ে সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সরকারি সংস্থার কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করতে প্রেসিডেন্টের কোনো প্রমাণ দেখাতে হবে না।
তবে এই রায়ের পরিণতি দ্বারা সুপ্রিম কোর্ট ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বিশেষভাবে বলেছেন যে স্বাধীনতা থাকার চেয়ে তা প্রকৃতপক্ষে নিয়ন্ত্রণের দৃশ্যমান উপস্থিতি সর্বোপরি গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক উদ্যোগ এবং আদালতের বিচারপতির মতবিরোধ
সুপ্রিম কোর্টে গভর্নরদের বরখাস্তের ক্ষেত্রে ভোটের ফলে ট্রাম্প সীমাবদ্ধ ক্ষমতা পেয়েছেন এবং আদালতের এক অংশের মতে সেটি বৈধ। তবে সোনিয়া সোতোমেয়র বিচারপতি এই সিদ্ধান্তে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে প্রেসিডেন্ট সরকারি কাঠামোকে পুনর্গঠন করার চেষ্টা করছেন এবং এই রায় মূলত রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রাধান্য দেখায়।
ট্রাম্প বর্তমানে সুপ্রিম �
