Uncategorized

যাত্রার নায়ক থেকে চায়ের দোকানি, কিন্তু দোতারা ছাড়েননি সামাদ মোল্লাহ

যাত্রার নায়ক থেকে চায়ের দোকানি, কিন্তু দোতারা ছাড়েননি সামাদ মোল্লাহ য ত র র ন য়ক থ - রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের একডালা সমাসপাড়া

Desk Uncategorized
Published June 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যাত্রার নায়ক থেকে চায়ের দোকানি, কিন্তু দোতারা ছাড়েননি সামাদ মোল্লাহ

য ত র র ন য়ক থ – রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের একডালা সমাসপাড়া গ্রামে বাস করেন আবদুস সামাদ মোল্লাহ (৬৫)। তিনি প্রতিদিন সাদা মনের মানুষ হিসেবে চায়ের দোকানে দোতারা নিয়ে বাজারে আসেন। গায়ে শার্ট, পায়ে চটিজুতা সহ দোতারার সঙ্গে তাঁর সাথে চলাচল হয়।

সামাদ মোল্লাহ ছোট বয়স থেকেই সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত। একসময় তিনি এলাকায় জাহানারা অপেরা নামে একটি যাত্রাপালা দলের নায়ক ছিলেন। ১৯৮৬ সালে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন স্থানে চলে যান। পরে তিনি যাত্রাদলের ‘বিবেক’ চরিত্রে কাজ শুরু করেন। সেই চরিত্রটি তাঁর প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু বিবেক চরিত্রে দীর্ঘ সুরে গান গেয়ার কারণে কণ্ঠের সমস্যা হয়। তিনি আর সেই চরিত্রে কাজ করতে পারেন না।

তবুও সংস্কৃতির মধ্যে নিজেকে টিকিয়ে রেখেছেন তিনি। গ্রামের মেঠো পথে দোতারার সুর তুলে লোকজনকে মুগ্ধ করেন। ২০০২ সালে যাত্রাদল বিলুপ্ত হয়। নিজেকে দল থেকে গুটিয়ে নিলেও দোতারার সঙ্গে একে একে ছাড়েননি।

সামাদ চাচার দোতারার টানেই এখানে বসে চা খাই। তিনি সংস্কৃতি ধরে রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ বেতার ও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে তাঁকে দোতারাবাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। সেরা বাদক হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর সাংস্কৃতিক প্রতিভা। কিন্তু আয়ের কমতি সত্ত্বেও তিনি চিকিৎসা করাতে পারেন না। ফুসফুস, কিডনি ও ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তিনি। দোকানে বৈদ্যুতিক পাখা ও টেলিভিশন কিনতে পারেননি। পাশের দোকানগুলোতে এসব সুবিধা থাকায় ক্রেতারা সেখানে চলে যায়।

এই দোতারা ধরে রাখচি। বয়স হওয়ায় অন্য কাজ করতে পারি না। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারি না, ওষুধও কিনতে পারচি না। হয়তো অচিরেই থেমে যাবে দোতারার টুংটাং।

পাশের হামিরকুৎসা গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল হক বলেন, “সামাদ মোল্লাহ একজন ভালো দোতারাবাদক। তিনি কষ্টের মধ্যে থাকলেও কারও কাছে হাত পাতেন না। নিজের দোতারার সুরও বন্ধ করেন না। গান গেয়ে লোকজনদের বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত।”

একডালা সমাসপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জামাল উদ্দিন (৬১) বলেন, “ছোটকাল থেকে সামাদ ভাই গানবাজন

Leave a Comment