ময়মনসিংহে কমিশনার নামে ষাঁড় বিক্রির আশায় ভিড় জমা
ময়মনস হ কম শন র ক ঘ – ময়মনসিংহ নগরের জয়নুল আবেদিন উদ্যানের সংলগ্ন সার্কিট হাউস মাঠে চলছে কোরবানির পশুর হাট। হাটে একটি বিশাল দেহের ষাঁড় আটকে রেখেছেন বাসিন্দা মো. জুয়েল। তাঁর খামারটি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা এলাকায় অবস্থিত। হাটে গলায় মোটা চেইন, চকচকে কালো রং আর বিশালাকৃতির ষাঁড়টি দর্শনার্থীদের মন জড়িয়ে রেখেছে। এটি ঈদের আগে হাটের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
প্ল্যাকার্ডে লেখা হয়েছে এই ষাঁড়টির নাম ‘কমিশনার’। তিনি তাঁর খামারে ষাঁড়টিকে পালন করছেন প্রায় তিন বছর ধরে। যাতে এটি কোনো ওষুধ বা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। গরুটি অলস প্রকৃতির বলে জুয়েল জানান যে খাওয়া ছাড়া বেশির ভাগ সময় শুয়ে থাকে। এ কারণে কমিশনার নাম দেওয়া হয়েছে।
“তিন বছর ধরে গমের ভুসি ও ঘাস খাইয়ে ষাঁড়টি পালন করা হয়েছে। মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ওষুধ বা গবাদিপশুর ফিড ব্যবহার করা হয়নি।”
ঈদের দিন পর্যন্ত চলবে সার্কিট হাউস মাঠের অস্থায়ী হাট। জেলার পশুর হাটগুলোতে বিক্রি হচ্ছে বেশির ভাগ গরু। মোহাম্মদ ওয়াহেদুল আলম বলেন, জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৭টি গরু। প্রস্তুত পশুর মধ্যে গরুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
অস্থায়ী হাট ও চাহিদার মধ্যে ব্যবধান
জেলার চাহিদা ১ লাখ ৮১ হাজার ২৬৬টি পশু। প্রস্তুত আছে ২ লাখ ৪ হাজার ১৪৮টি। সে হিসাবে চাহিদার তুলনায় ৪৪ হাজার ৮৮২টি পশু উদ্বৃত্ত আছে। কোরবানির উদ্দেশ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে হাটগুলো চলছে।
ঈদ সামনে রেখে পশুর হাটগুলোতে এখন জমে উঠেছে বেচাকেনা। কিন্তু মাঝেমধ্যে বৃষ্টি দুর্ভোগে পড়ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওয়াহেদুল আলম বলেন, পশুবাহী যানবাহনের নিরাপত্তা ও হাটের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশ প্রশাসন কাজ করছে।
পুলিশের প্রতিরোধ ও বাজার ব্যবস্থাপনা
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, পশুবাহী গাড়ি কোথাও আটকে না থাকে বা হয়রানি শিকার হয় না এ জন্য পুলিশ তৎপর আছেন। পাশাপাশি জাল টাকার বিস্তার ও অপরাধী চক্রের অপতৎপরতা ঠেকাতে সাদাপোশাকে পুলিশ সংখ্যায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
ঈদের আগে বিক্রির আশায় কমিশনারের দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু সাড়ে প
