Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মেসির পথ ধরে এমএলএসে এখন তারকার ঢল

Published August 15, 2026 · Updated August 15, 2026 · By Elizabeth Smith - banglaprabah.com

Foto : Elizabeth Smith - banglaprabah.com

এমএলএসে ইউরোপীয় তারকারা ছুটে আসছেন মেসির পথে

Banglaprabah.com – ম স র পথ ধর এমএলএস - লিওনেল মেসির আগমনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) আকর্ষণীয়তা যে অনেকগুণ বেড়েছে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এবারের দলবদলের মৌসুমে কেবল এক-দুজন নয়, ইউরোপের শীর্ষ তারকাদের একটি বিশাল ঢলই নেমেছে আমেরিকার লিগে। মৌসুমের দ্বিতীয় দলবদলের জানালা বন্ধ হতে এখনো তিন সপ্তাহের বেশি সময় বাকি থাকতেই আঁতোয়ান গ্রিজমান, রবার্ট লেভানডফস্কি, আলেক্সিস সানচেজ ও কাসেমিরোর মতো নামী খেলোয়াড়রা এমএলএসে পা রেখেছেন।

গ্রিজমান ও লেভানডফস্কি: গোলমেশিনদের আগমন

১৩ জুলাই অরল্যান্ডো সিটিতে যোগদান করেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড গ্রিজমান। ২০১৬ ও ২০১৮ সালে ব্যালন ডি'অরে তৃতীয় স্থান অধিকারকারী এই ফরোয়ার্ড নতুন দলের হয়ে অভিষেকেই নিজের জাত চেনিয়ে দিয়েছেন। সান হোসে আর্থকোয়েকসের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ী ম্যাচে তিনি গোল করেছেন, যা ছিল ক্লাব ফুটবলে তাঁর ক্যারিয়ারের ৩০০তম গোল।

গ্রিজমানের কিছুদিন আগেই এমএলএসে নাম লেখান আরেক ইউরোপীয় গোলমেশিন লেভানডফস্কি। জুনের শেষ দিকে শিকাগো ফায়ারে যোগ দেন ৩৭ বছর বয়সী পোলিশ স্ট্রাইকার। বার্সেলোনা ছেড়ে আসা লেভা শিকাগোর হয়ে তৃতীয় ম্যাচেই শার্লটের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে দুটি গোল করেন। ইউরোপে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় নিয়মিতই মৌসুমে ২০ থেকে ৩০টির বেশি গোল করেছেন তিনি। ২০১৯-২০ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের ঐতিহাসিক ছয়টি ট্রফি জয়ের পথে করেছিলেন ৫৫ গোল। করোনা মহামারির কারণে ব্যালন ডি'অর স্থগিত না হলে সেবারের পুরস্কারের সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিলেন তিনি। বার্সেলোনার নিজের শেষের আগের মৌসুমেও করেছিলেন ৪২ গোল, আর গত মৌসুম শেষ করেছেন ১৯ গোল নিয়ে।

সানচেজ ও কাসেমিরো: অভিজ্ঞতার জোড়

গোল করা ও করানো—দুই ক্ষেত্রেই সমান কার্যকর আলেক্সিস সানচেজ। বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ইন্টার মিলানের মতো ক্লাবে খেলা চিলির এই তারকা দুই বছরের চুক্তিতে যোগ দিয়েছেন মন্ট্রিওলে। তবে সবচেয়ে বড় নামগুলোর একটি নিঃসন্দেহে কাসেমিরো। রিয়াল মাদ্রিদে ৯ বছর খেলে ক্লাব ফুটবলের প্রায় সব বড় শিরোপা জেতা ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার এবার লিওনেল মেসির সতীর্থ ইন্টার মিয়ামিতে। এবারের বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের হয়ে খেলেছেন কাসেমিরো, জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে গোলও করেছেন। ২০১১ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর ব্রাজিলের হয়ে খেলেছেন ৯১ ম্যাচ।

কাসেমিরোর সঙ্গে চুক্তি আপাতত আগামী মৌসুমের শেষ পর্যন্ত। সম্ভাবনা খুব দীর্ঘ না হলেও মিয়ামির মাঝমাঠে তাঁর প্রভাব পড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। চলমান দলবদলে এমএলএসের দল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সিতে যোগ দিয়েছেন মেসির বার্সেলোনা-সতীর্থ সার্জি রবার্তো। আর কলম্বাস ক্রুর নতুন সদস্য সাবেক ভিলারিওল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ডিফেন্ডার এরিক বেইলি।

ইতিহাসের আলোকে তুলনা

সব মিলিয়ে এমএলএসের ইতিহাসে মর্যাদার বিচারে এটিই সেরা দলবদলের মৌসুম কি না, সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে। গত বছরও এই লিগে দুজন বড় খেলোয়াড় যোগ দিয়েছিলেন। বায়ার্ন মিউনিখের জার্মান কিংবদন্তি টমাস মুলার যোগ দেন ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপসে। আর রেকর্ড ২ কোটি ৬৫ লাখ ডলারে টটেনহাম ছেড়ে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসিতে যান সন হিউং-মিন। এ বছরের শুরুতে মিনেসোটা ইউনাইটেডে নাম লেখান হামেস রদ্রিগেজও।

এত তারকার ঢল অবশ্য এমএলএসে একেবারে নতুন নয়। ২০১৫ সালের দলবদলে আন্দ্রে পিরলো, ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড, স্টিভেন জেরার্ড, কাকা ও দিদিয়ের দ্রগবার মতো ইউরোপীয় ফুটবলের বড় তারকারা যোগ দিয়েছিলেন এমএলএসে। তবে বৈশ্বিক ফুটবলে যুক্তরাষ্ট্রের লিগটি সত্যিকার অর্থে আলোড়ন তোলে ২০২৩ সালে। সে বছর মিয়ামিতে মেসির আগমনে এমএলএসের চেহারাই যেন বদলে যায়। তাঁর সঙ্গে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেন সার্জিও বুসকেতস ও জর্দি আলবা। এই তিনজনের হাত ধরে ক্লাবটি জেতে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম শিরোপা, পরে যোগ হয় আরও সাফল্য।

এবারের দলবদলের জানালা বন্ধ হবে ২ সেপ্টেম্বর। তার আগে গ্রিজমান, লেভানডফস্কি, সানচেজ ও কাসেমিরোদের তালিকায় আরও কোনো ইউরোপজয়ী তারকার নাম যুক্ত হয় কি না, সেটাই এখন এমএলএসের দলবদলের বাজারের সবচেয়ে বড় কৌতূহল।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ম স র পথ ধর এমএলএস?

ম স র পথ ধর এমএলএস is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম স র পথ ধর এমএলএস matter?

ম স র পথ ধর এমএলএস matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.