মির্জা আব্বাসের আসন শূন্য হওয়া খবরটি মিথ্যা
ম র জ আব ব স র – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় বিদেশে চিকিৎসার জন্য প্রবেশ করেছেন। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি খবর ছড়িয়েছে যে তাঁর সংসদ আসন শূন্য হয়েছে। তবে সত্যতা প্রমাণে কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।
গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাস ঢাকা–৮ আসন থেকে নির্বাচিত হন। তাঁর আসন শূন্য ঘোষণার ঘটনা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম লিংক , দ্বিতীয় লিংক , তৃতীয় লিংক , চতুর্থ লিংক
সাইবার কমিউনিটি পেজের ঘোষণা
সাইবার কমিউনিটি নামে পরিচিত একটি ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয়, যেখানে লেখা আছে, মির্জা আব্বাসের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে উপস্থিত হয়নি। তার ফটোকার্ডে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ছবি ব্যবহার করা হয়। লিংক: এখানে
“ঢাকা-৮ আসন শূন্য হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদে উপস্থিত না হলে উপনির্বাচন দেওয়ার কথা। মির্জা আব্বাসের তো নব্বই দিন পার হয়ে গেছে, সংসদে উপস্থিত হন নাই।”
সাইবার কমিউনিটি পেজটির পরিচালক সাকিব আহমেদ তুহিন বলেন, “আমরা সংবিধান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পোস্ট দিয়েছি। সংবিধানের উল্লেখ করা হয়েছে পোস্টের মন্তব্যর ঘরে।”
সংবিধানের প্রাসঙ্গিক নিয়ম
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দিলে তাঁর আসন শূন্য হবে। নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথ বা নিলেও আসন শূন্য হবে। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে স্পিকার যথার্থ কারণ পেলে সময়সীমা বাড়াতে পারবেন।
বিশেষ করে মির্জা আব্বাস নিজে কোনো পদত্যাগ করেননি। সংবিধান অনুযায়ী তাঁর শপথ গ্রহণ করা হয়েছে একাধিক মূলধারার সংবাদমাধ্যমে। লিংক: এখানে
১৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, “দেশবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাতে পেরেছে। আমি তাদের প্রতিনিধি হয়ে অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বিত বোধ করছি।”
প্রথম লিংক , দ্বিতীয় লিংক , তৃতীয় লিংক
অনুসন্ধানে দেখা যায়, অন্তত ৫০টি ব্যক্তিগত প্রোফাইল ও ফেসবুক পেজ থেকে একই দাবি প্রচার করা হচ্ছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার প্রতিক্রিয়া পড়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সংসদে অনুপস্থিতির ৯০ দিনও অতিক্রান্ত হয়নি। সুতরাং ঢাকা–৮ �
