মায়ের গলিত লাশ, সুপ্রতিষ্ঠিত সন্তান ও সম্পত্তি আইনের ফাঁক
ম য় র গল ত ল শ – একজন বৃদ্ধা মা বিভীষিকাময় মৃত্যুর সামনে জনগণকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেছে এই সমাজ প্রতিষ্ঠান। চারপাশে ঝলমলে উন্নয়ন এবং সুপ্রতিষ্ঠিত সন্তানদের শ্রেণীর ভিড়ে তাঁর দেহ অবহেলার ধ্বংসাবশেষে বিপর্যয় ঘটেছে। মারা গেছেন যে মা তাঁর মরদেহ গলিত ও বিকৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে, যখন তাঁর সন্তানদের সম্পত্তি বিতরণ ব্যবস্থার সম্মুখে তাঁদের এখনও আশা আছে।
আইনে সুপ্রতিষ্ঠিত সন্তানদের দায়িত্ব সম্পর্কে প্রমাণ নেই বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমাদের আইনে যে সন্তান পিতা-মাতাকে মৃত্যু ঘটায়, তাঁদের সম্পত্তির অধিকার বাতিল হওয়ার কোনো নিয়ম নেই। সুতরাং বিপুল ধন-সম্পত্তির আইনি অংশীদার হয়ে পড়েছে এই অবহেলা করা সন্তান একটি আইনি খালি চোরাচপরার সমান। এই পরাজয় দেখা দেয় আমাদের প্রচলিত আইনগুলোর সীমাবদ্ধতা কেন না সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ হিসেবে মানুষের সম্পত্তির উত্তরাধিকার বাতিল করা হয়।
আন্তর্জাতিক আইনি ইতিহাস থেকে শিখা প্রয়োজন
১৮৮৯ সালে আমেরিকার একটি মামলার সময় দেখা গেছে, যেখানে নাতি তার দাদাকে সম্পত্তির লোভে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছিল। আদালত তখন এই অপরাধের জন্য শাস্তি দেয়া সত্ত্বেও উত্তরাধিকার বাতিল করার কোনো নিয়ম ছিল না। সেই বিখ্যাত মামলার ফলে জন্ম নেয় হত্যাকারীর নিয়ম বা স্লেয়ার রুল। বর্তমানে এই নীতি ক্যালিফোর্নিয়া, ইলিনয় ও ফ্লোরিডার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে প্রয়োগ করা হয়। সেখানে মারাত্মক অবহেলা বা আর্থিক শোষণ করা সন্তানদের উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়।
ইমদাদুল হক তালুকদার মানসিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মতামত লেখকের নিজস্ব
আইন এবং সমাজের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানে আবার একটি জটিলতা ঘটেছে। চিকিৎসার ব্যয়ভার সম্পর্কে সন্তানদের মধ্যে যে কেউ বোঝাবে কিন্তু অন্য সুপ্রতিষ্ঠিত সন্তান দূর থেকে কেবল তামাশা দেখে। দেওয়ানি আইনে পিতার মৃত্যুর পর তাঁর দেনা মেটানো সন্তানদের জন্য বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও জীবিত অবস্থায় মাতার চিকিৎসায় খরচ বহন করা সন্তানকে আইনিভাবে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে হবে। মাতা-পিতার ভরণপোষণ আইনে এই বিষয়ে স্পষ্ট সংশোধনী আনা জরুরি হয়ে উঠেছে। এটি আ
