মাইক্রোবাসের নিবন্ধনে চলছে অ্যাম্বুলেন্স, নেই ফিটনেসও
ম ইক র ব স র ন – চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে ফিটনেস সনদ বিহীন গাড়ি। এগুলো অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে কাজ করলেও বিআরটিএতে নিবন্ধিত রয়েছে মাইক্রোবাস হিসেবে। পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া গেছে চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির উপর।
হাসপাতালে পরিবহন করা রোগী ও মরদেহের জন্য একটি নীতিমালা আছে। সেখানে নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ অর্থ আদায় করা হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সগুলোর সাথে। এসব গাড়ি বাড়তি খরচ বাড়তে সাহায্য করে কাজ করছে।
নিবন্ধন নম্বর প্লেট দেখে সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সমিতি সম্পর্কে জানা গেছে। গেটে প্রবেশ করা প্রায় সব অ্যাম্বুলেন্স মাইক্রোবাস হিসেবে নিবন্ধিত। নেই ফিটনেস সনদ আর হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোবাস নম্বর প্লেটে বাংলা বর্ণমালার পঞ্চম বর্ণ ‘চ’ ব্যবহার করা হয়। অ্যাম্বুলেন্সের নম্বর প্লেটে ব্যবহার করা হয় ‘ছ’ বর্ণটি।
সরেজমিনে পূর্ব গেট এলাকায় আটটি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে। নিবন্ধন বর্ণমালা অনুযায়ী এগুলো ব্যক্তিগত মাইক্রোবাস। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী এর মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সাতটি মাইক্রোবাস হিসেবে নিবন্ধিত। ফিটনেস সনদ বা হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেন কিছু নেই।
উথোয়াইনু চৌধুরী, বিআরটিএ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বলেন, ‘আমাদের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। আমরা এই অ্যাম্বুলেন্সগুলোর বিষয়ে খোঁজ নেব।’
গত মার্চ মাসে ফটিকছড়ি উপজেলায় লাশ পরিবহনের রসিদ প্রথম আলো হাতে এসেছে। তাতে দেখা গেছে হাসপাতাল থেকে ফটিকছড়ি উপজেলায় ফ্রিজার ভ্যানে লাশ পরিবহন করা হয়েছে। ভাড়া আদায় করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা। এ নিয়ে সমিতির সদস্যের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডাও হয়েছে এক চিকিৎসকের।
সামনে থাকা নীতিমালা অনুযায়ী হাসপাতাল থেকে ফটিকছড়ি উপজেলার এসি ও ফ্রিজার ভ্যানের ভাড়া সর্বাধিক ৩ হাজার ৭১ টাকা। রাস্তার ভেতরে প্রবেশ করলে আরও ৫০০ টাকা যোগ হবে। কিন্তু আ
