ভেস্তে গেল ২০ লাখ ডলারের বই চুক্তি
ভ স ত গ ল ২০ ল - জেরি ফালাডের বইয়ের চুক্তি বাতিলের কারণ ও বিস্তারিত
Banglaprabah.com – ভ স ত গ ল ২০ ল - জেরি ফালাডের অপরাধভিত্তিক উপন্যাস কল মি, আই উইল হাইড দ্য বডি প্রকাশের আগেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে এই বইয়ের জন্য প্রকাশনা চুক্তি হওয়ার কথা ছিল দুই মিলিয়ন ডলারের বেশি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এআই ব্যবহার নিয়ে উত্থাপিত সন্দেহের কারণে সেই চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। এই ঘটনায় ভ স ত গ ল ২০ ল ডলারের একটি বড় বইয়ের চুক্তি।
চুক্তি বাতিলের পেছনের ঘটনাবলি
ম্যাকমিলান ইউএসের মিনোটর ইমপ্রিন্ট বইটির জন্য দুই মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের প্রস্তাব দিয়েছিল। চৌদ্দটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতামূলক নিলামে এটি সবচেয়ে আলোচিত পাণ্ডুলিপিগুলোর একটি ছিল। বইটি ২০২৮ সালে প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল।
জেরি ফালাডের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মার্স জেরাল্ড জানান, তিনি জুন মাসে প্রথম পাণ্ডুলিপিটি পেয়েছিলেন। বইটি এতটাই ভালো লেগেছিল যে প্রায় সবাই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তবে প্রকাশকদের কাছে পাণ্ডুলিপি পাঠানোর মাঝপথে এক সম্পাদক সন্দেহ প্রকাশ করেন যে লেখাটিতে এআই ব্যবহারের কিছু লক্ষণ থাকতে পারে। যদিও এজেন্সি কোনো এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যার ব্যবহার করেনি। কারণ, লেখকের ব্যাখ্যাকে তখন তারা বিশ্বাসযোগ্য মনে করেছিল।
কিন্তু ২৯ জুলাই এক বৈঠকে লেখকের বক্তব্যের কিছু অংশ বদলে যাওয়ায় এজেন্সি তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের ভাষায়, একজন লেখকের সঙ্গে কাজ করতে হলে তাঁর প্রতি পূর্ণ আস্থা থাকা জরুরি।
এ ঘটনা নিয়ে এত বড় বিতর্ক তৈরি হওয়া আমাদেরও খুব খারাপ লাগছে। তবে বইটি সত্যিই অসাধারণ, যেভাবেই লেখা হোক না কেন।
এআই নিয়ে প্রকাশনাজগতে নতুন বিতর্ক
এ বছর প্রকাশনাজগতে এআই নিয়ে একের পর এক বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। লেখক, এজেন্ট ও প্রকাশকেরা এখন ভাবছেন, কোনো পাণ্ডুলিপিতে এআই ব্যবহারের সন্দেহ দেখা দিলে সেটি কীভাবে সামলানো উচিত। এর আগে লেখিকা মিউয়া ব্যালার্ডের ভৌতিক উপন্যাস শাই গার্ল-এর যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশও স্থগিত করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছিল, তিনি নাকি বইটি লিখতে এআই ব্যবহার করেছেন। যদিও তিনি সে অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ফালাডে অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কোনো এআই ব্যবহার করেননি। বরং তিনি মনে করেন, এ ঘটনার পেছনে বর্ণগত পক্ষপাত কাজ করেছে। ফালাডের ভাষায়, এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যার অনেক সময় ভুল ফলাফল দেখায়। এ ছাড়া তাঁর পাণ্ডুলিপি বহু সম্পাদক ও প্রকাশকের হাতে গেছে। সত্যিই যদি এটি এআই দিয়ে লেখা হতো, তাহলে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া কঠিন ছিল।
ফালাডে অন্য লেখকদের নাম উল্লেখ না করলেও এ বছর কৃষ্ণাঙ্গ দুই লেখক মিউয়া ব্যালার্ড এবং এইচ এম উলফও একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়েছেন। তবে তাঁরাও এআই ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেন।
আমার ক্ষেত্রে গুজব ছড়ানোর মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই আমার এজেন্সি আমাকে বাদ দেয়, প্রকাশনা চুক্তি স্থগিত হয় এবং সংবাদ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
জেরি ফালাডের বইয়ের চুক্তি কত ডলারের ছিল? জেরি ফালাডের বইয়ের প্রকাশনা চুক্তি ছিল দুই মিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা ম্যাকমিলান ইউএসের মিনোটর ইমপ্রিন্ট থেকে এসেছিল।
চুক্তি বাতিলের প্রধান কারণ কী ছিল? চুক্তি বাতিলের প্রধান কারণ ছিল লেখকের বক্তব্যের কিছু অংশ বদলে যাওয়া এবং এআই ব্যবহার নিয়ে উত্থাপিত সন্দেহ।
এআই নিয়ে অন্যান্য লেখকদেরও একই সমস্যা হয়েছে কি? হ্যাঁ, মিউয়া ব্যালার্ড এবং এইচ এম উলফও এ বছর একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়েছেন।
বইটি এখনো প্রকাশের পরিকল্পনা আছে কি? বইটি ২০২৮ সালে প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল এবং ফালাডে এখনো নতুন চুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: প্রথম আলো ও দ্য গার্ডিয়ান
গ্রন্থনা: রবিউল কমল
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ভ স ত গ ল ২০ ল?ভ স ত গ ল ২০ ল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ভ স ত গ ল ২০ ল matter?ভ স ত গ ল ২০ ল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.