বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের ছয়টি মামলা ও পর্যায়গুলি
ব নজ র র ব র দ – পুলিশের আগের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত ছয়টি মামলা পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে একটি মামলার বিচার চলছে এবং বাকি পাঁচটি মামলার তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিচারাধীন মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছেছে। পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য সংগ্রহ করা শেষ হয়েছে। এই মামলায় মোট ৩৮ জন সাক্ষী রয়েছে। বিচার শেষের প্রত্যাশা রয়েছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এ। পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে ২৩ জুন।
২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর তিনি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী জীশান মির্জার বিরুদ্ধে পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলা করে দুদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি পাসপোর্টের আবেদনপত্রে ‘প্রাইভেট সার্ভিস’ হিসেবে পেশার নাম লিখেন। রাব মহাপরিচালক এবং ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভাগীয় অনাপত্তিপত্র ছাড়া এমআরপি ও ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁর অবৈধ চাকরিতে বিশ্বাস করে পাসপোর্ট অনুমোদন দেন।
বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা দুদকের পৃথক করে পরিচালিত হচ্ছে। জীশান মির্জার বিরুদ্ধে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ জানানো হয়েছে। ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে যথেষ্ট অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ৮ কোটি ৭৫ লাখ ও ৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম প্রথম আলোকে বলেন, বেনজীর আহমেদকে যদি দেশে ফিরিয়ে আনা হয়, তাঁর মামলা লড়তে সাক্ষীদের আবার জেরা করা হবে। বিচারিক প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে চলবে।
বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি ই–মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে ১২ জুন তাঁর গ্রেপ
