বিশ্বকাপে গ্রুপসেরা হলেই তো বিপদ!
ব শ বক প গ র পস – ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে দলগুলোর লক্ষ্য গ্রুপসেরা হওয়া। যদিও গ্রুপসেরা হলে অন্য গ্রুপের শীর্ষ দলের সাথে খেলার সুবিধা হয়, কিন্তু নকআউট সূচি অনুযায়ী কিছু ঝামেলা আসছে গ্রুপসেরা দলগুলোর জন্য। জার্মান কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান এ বিষয়ে বলেন, নিয়মটি যেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলগুলোকে কিছুটা শাস্তি দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ম্যাচে জার্মানি ২–১ গোলে হারে, কিন্তু ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ম্যাচ পর্বের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত হয়নি। কারণ নতুন ফরম্যাটে তৃতীয় স্থানে থাকা ৮টি দলও নকআউটে খেলবে।
‘আমার মনে হয়, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো কিছুটা শাস্তি পাচ্ছে। আমরা সম্ভাব্য প্রতিপক্ষগুলো কোচিং স্টাফদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছি। আমি তিন-চারটি ম্যাচ দেখেছি, বিশ্লেষক দলও একই কাজ করেছে। কিন্তু শনিবার রাত কাটানোর এর চেয়ে ভালো উপায় নিশ্চয়ই আছে।’
জার্মানির ক্ষেত্রে গ্রুপসেরা নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও তাদের শেষ ৩২ টু ম্যাচের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত হয়নি। গ্রুপ পর্বের সর্বশেষ ম্যাচ শুরু হবে ২৮ জুন সকালে, অথচ তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর ম্যাচ ২৯ জুন রাত আড়াইটায় খেলা শুরু হবে। ফলে জার্মানি ম্যাচ পরিকল্পনা জানতে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপেক্ষা করতে হবে।
নাগলসমান বলেন, সূচির জটিলতাকে অজুহাত বানাতে চান না। তিনি জানান, ‘আমরা চেষ্টা করছি কাজের বড় একটা অংশ আগেই শেষ করতে, যেন তড়িঘড়ি করে ম্যাচ পরিকল্পনা করতে না হয়।’ তাঁর স্টাফদের বেশির ভাগই তরুণ, দরকার হলে সারা রাত কাজ করতে পারেন।
পূর্বে ৩২ দলের বিশ্বকাপে নকআউট সূচি তুলনামূলক সহজ ছিল। কিন্তু ৪৮ দলের টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলো যোগ হওয়ায় অনেক গ্রুপের সমীকরণ শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ঝুলে থাকে। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলগুলোও অপেক্ষায় থাকতে হয়। যেমন ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো, ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সুইজারল্যান্ড ও ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও এখনো পর্যন্ত প্রতিপক্ষের নাম জানতে পারেনি।
কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা
