Uncategorized

বাগেরহাটে কৃষক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের পর জামায়াতের ৩ কার্যালয় ভাঙচুর

বাগেরহাটে কৃষক দল নেতার হত্যার পর জামায়াতের তিনটি কার্যালয় ভাঙচুর ব গ রহ ট ক ষক দল - বাগেরহাটের সদর উপজেলার বারুইপাড়া বাজারে জামায়াতে ইসলামী এবং

Desk Uncategorized
Published June 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাগেরহাটে কৃষক দল নেতার হত্যার পর জামায়াতের তিনটি কার্যালয় ভাঙচুর

ব গ রহ ট ক ষক দল – বাগেরহাটের সদর উপজেলার বারুইপাড়া বাজারে জামায়াতে ইসলামী এবং শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের কার্যালয় ভেঙে তছনছ করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে ওই জায়গায় বিএনপির একদল কর্মী ও নেতা হামলা করে। তারা কার্যালয়ের বিপরীতে অবস্থিত ব্যাংকের সিসিটিভি ক্যামেরাও ভেঙে ফেলে। এ ছাড়া ভোরে আড়পাড়া গ্রামে ইউনিয়নের জামায়াতের কার্যালয়টি আগুন দিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

গত মঙ্গলবার রাতে ফকিরহাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় বারুইপাড়া ইউনিয়নের কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়ল নিহত হন। এই ঘটনাকে বিএনপির নেতারা ‘রাজনৈতিক ও আধিপত্যের জের’ বলে আখ্যা দিয়ে জামায়াতকে দায়ী করেছেন।

“বারুইপাড়া বাজারে আমাদের দুটি অফিস রয়েছে। একটি শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের, আরেকটি জামায়াতের। আজ বেলা দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে বিএনপির একদল নেতা-কর্মী ওই দুটি কার্যালয় ভেঙে দেয়। হামলার আগে আমাদের অফিসের সামনে একটি এজেন্ট ক্যামেরাও ভেঙে ফেলে। আর গত রাতে বাদল ভাইকে খুন করার পর আড়পাড়ায় জামায়াতের কার্যালয়টি আগুন দিয়ে ভাঙচুর করা হয়।”

শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, “আমাদের উভয় দলের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আছে, কিন্তু এমন কোনো বিরোধ নেই। ওই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। একটি মানুষ মারা যাওয়ার পর তো আর কিছুই থাকে না। আমরা এ হত্যার জন্য জড়িত ব্যক্তিদের বিচার চাই। এখন তারা আমাদের নেতা-কর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন।”

আজ বিকেলে আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে বাদল মোড়লের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দৃষ্টান্তমূলক বিচার সুনিশ্চিত করতে হবে এদিকে জামায়াতের আমির রেজাউল করিম বলেন, “এলাকায় শান্তি, নিরাপত্তা ও আইনের শাসন বজায় রাখতে এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। সব সন্ত্রাসীকে অপরাধের সঙ্গে জড়িত করে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনা উচিত।”

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ নাসির আহমেদ মালেক জানান, গতকাল রাতে সামান্য কিছু সমস্যা হয়েছে। তবে আজ কোথাও কোনো ভাঙচুর বা সহিংসতা হয়নি। নেতা-কর্মীদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছি। আইনবিরোধী কাজ করতে পারবেন না কেউ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই হত্যার সঠিক তদন্ত ও দোষীদের বিচারে আনবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি শামসুল আরেফিন জানান, “ভাঙচুরের কথা আমরা শুনেছি। কিন্তু কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানাজা শেষে সন্ধ্যায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত।”

Leave a Comment