ফরিদপুর মেডিকেলে সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দীর মৃত্যু
ফর দপ র ম ড ক ল – ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কারাবন্দী হিসেবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে সৈয়দ আশরাফ আলী (৮০) নামের একজন আসামীর। তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়। তিনি গতকাল বুধবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা তাঁকে কারাবন্দী হিসেবে নিয়ে আসা হয়। আসামীর পরিবারের কথায় তিনি কারাগারে আটকে ছিলেন বেশ কয়েক মাস ধরে। যাইহোক, তাঁর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া প্রাপ্ত হওয়ার আগে কেন্দ্রীয় জেল সুপার এবং কোতোয়ালি থানার কর্মকর্তারা তাঁর আসামী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
ফরিদপুর মেডিকেলে সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দীর মৃত্যুর বিস্তারিত বিবরণ
সৈয়দ আশরাফ আলী আলফাডাঙ্গা উপজেলার পানাইল গ্রামে বাস করতেন। তিনি পূর্বে ফরিদপুর জেলা কারাগারে আটক হয়েছিলেন এবং বিভিন্ন মামলার জন্য চার বছর জেল কাটতেন। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন একটি চিকিৎসার জন্য। হাসপাতালে তিনি মৃত্যু ঘটার আগে বেশ কয়েক দিন রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর অসুস্থতার কারণ হল উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য চিকিৎসাধীন রোগের প্রভাব। তিনি সকালে হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে তাঁর অবস্থা ক্রমে খারাপ হয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গতকাল বুধবার রাতে ক্রীয়া সম্পন্ন করেন এবং তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্থায়ী কর্মকর্তারা জানান যে তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তাঁর নিয়ন্ত্রণহীন উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য রোগ সম্পর্কে অনুসন্ধান চালু করা হয়। তাঁর মৃত্যু ঘটার সময় তিনি একটি শোক প্রকাশ করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক তাঁর মৃত্যুসনদে তাঁর অস্থিরতার কারণ হিসেবে রক্তচাপ এবং মানসিক অসুখ উল্লেখ করেছেন।
ফরিদপুর জেলা কারাগারের প্রতিক্রিয়া এবং মৃত্যুর পরিস্থিতি
ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া জানান যে তিনি বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যুর খবর পেয়েছিলেন। কারাবন্দীর কারণ হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা চালু আছে। এ মামলাগুলোর মধ্যে দুটি মামলার বিচার চলছে। তিনি জানান যে কারাবন্দীর মৃত্যুর পর হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়েছিল। স্থানীয় সংবাদ সমাপ্তি পর্বে তাঁর মৃতদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাখা হয়। মৃতদেহ �
