Uncategorized

প্রস্তাবিত জুয়া ও বেটিং আইনের কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনার আহ্বান এইচআরএফবির

প্রস্তাবিত জুয়া ও বেটিং আইনের কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনার আহ্বান এইচআরএফবির প রস ত ব ত জ য় - হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি) সরকারের অনলাইন এবং

Desk Uncategorized
Published June 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রস্তাবিত জুয়া ও বেটিং আইনের কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনার আহ্বান এইচআরএফবির

প রস ত ব ত জ য় – হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি) সরকারের অনলাইন এবং অফলাইন জুয়া ও বেটিং সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে নীতিগত দিক থেকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে সংগঠনটি প্রস্তাবিত আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এবং তার পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

আইনের গুরুতর ঝুঁকি

গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত বিবৃতিতে এইচআরএফবি জানিয়েছে, জুয়া ও বেটিং নিয়ন্ত্রণ আইন (অনলাইন ও অফলাইন), ২০২৬-এর খসড়ার কিছু ধারা আইনের মাধ্যমে বিচারিক সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংকীর্ণ করার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আইন ব্যাপক নজরদারি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

“জুয়া ঠেকাতে হচ্ছে আইন, ‘বিশ্বাসেই’ গ্রেপ্তার ও ডিজিটাল নজরদারির ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন,” বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

সংবিধানিক অধিকারের আশঙ্কা

বিবৃতিতে সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৯ ও ৪৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে এইচআরএফবি বলেছে, নাগরিক সমতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করা হয়েছে। তাই ডিজিটাল ডিভাইসে প্রবেশের ক্ষমতা সাংবিধানিক অধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

সংশোধনের দাবি

সংগঠনটি বলেছে, বেটিং ও জুয়া নিয়ন্ত্রণে আইনটি প্রয়োজন। কিন্তু আইনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোনো ধারা প্রণয়ন করা উচিত নয় যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার উপর হস্তক্ষেপ বা ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটাতে পারে। আইনবিদ, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের সহযোগিতার মাধ্যমে সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্বাক্ষরকারীদের তালিকা

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে—হামিদা হোসেন, সুলতানা কামাল, রাজা দেবাশীষ রায়, জেড আই খান পান্না, তাহমিনা রহমান এবং অন্যান্য।

আরও বিস্তারিত তালিকা

আহ্বায়ক সদস্যদের মধ্যে আছেন—ইফতেখারুজ্জামান, ফওজিয়া মোসলেম, শামসুল হুদা, খুশী কবির, সরদার জাহাঙ্গীর হোসেন, শিপন কুমার রবিদাস, সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ এবং দেওয়ান জামান।

Leave a Comment