প্রথম বাজেটে গণিতের চেয়ে নিশানা বেশি গুরুত্বপূর্ণ
প রথম ব জ ট গণ ত – বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে রাজস্ব দুর্বলতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষত হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশ্লেষকদের রাতে ঘুম নেই এই নিয়ে। গণিত আর মিলছে না বলে মনে হচ্ছে। তবে একটি নতুন সরকারের জন্য তার নিশানাগুলো জনতাকে বুঝিয়ে দেওয়া একটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। বাজেট খুব একটা বেপরোয়া নয়, এটি প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্বে জ্ঞান ও সুনামভিত্তিক নিয়োগ প্রদানের স্পষ্ট চিহ্ন।
বিএনপি সরকার নিশানাগুলো জনতার জন্য সুবিচার করতে পারেনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে। কিন্তু শিক্ষায় সর্বোচ্চ মনোযোগ নিবিষ্ট করে তাদের প্রতিশ্রুতির একটি বড় নিশানা ঠিক রেখেছে। স্বাস্থ্য খাত তার পরিচালনায় ভালো বরাদ্দ পেয়েছে, যার গুরুত্ব জ্ঞানী-গুণী সরকার বুঝতে পারেনি।
রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের বিচারে বাজেট আগের কাজের স্প্রেডশিটের ওপর কিছু সাহসী কাজ। আনুপাতিক বিন্যাস একই রয়েছে। কিন্তু প্রস্তুতকর্মে ঝুঁকি ও চাপ ছিল মূলত তিনটি।
বিশাল বাজেট, রাজস্ব ঘাটতি ও লক্ষ্য অর্জনের পরীক্ষা। প্রথম ঝুঁকি ছিল বন্ধ কলকারখানা কীভাবে চালু করা হবে, তার বরাদ্দ-ভাবনায়। যেহেতু অধ্যাপক ইউনূসের মব-যুগীয় নৈরাজ্যে এগুলো ঘটেছে, সেহেতু এগুলোর দায় সরকারের ঘাড়েই বর্তায়।
দ্বিতীয় ঝুঁকি ছিল ইউনূস সরকারের আমলে উসকে দেওয়া পে স্কেলের ‘অকাল’ আগুন। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাথমিক কার্যতালিকার মধ্যে ছিল না। নিশ্চিত বিদায় অনুমান করেই তাঁরা এই সুরের আগুন লাগিয়ে গেলেন। বেতন বৃদ্ধি সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা বটে। কিন্তু সেটি একটি নির্বাচিত সরকারের হাতেই সম্পন্ন হওয়া উচিত। কারণ এখানে গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব আদায়ের সিদ্ধান্ত থাকে। ঔচিত্যের সব কাজ একটি উন্নত দেশও একসঙ্গে করতে পারে না। তাকে অগ্রাধিকারের তালিকা তৈরি করতে হয়।
তৃতীয় চাপ হচ্ছে ইউনূস আমলের ব্যাপক অনাদায়ি রাজস্ব। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই তা প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। ওই সরকার দৃশ্যমান কোনো উন্নয়নকর্ম সাধন না করলেও পরিচালন ব্যয়ে কোনো সাশ্রয় আনতে পারেনি। এই অদক্ষতা ও অপচয়ের খেসারত দিয়ে বাজেটকে প্রচলিত ধারায় টেনে তোলার কঠিন কাজটি করেছে এই সরকার।
সে অর্থে অ
