পুলিশ সংস্কার জাতীয় অগ্রাধিকার হারাচ্ছে, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বাহিনী গড়ার তাগিদ
প ল শ স স ক র – বাংলাদেশে পুলিশ সংস্কার প্রক্রিয়া স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা উঠেছে। রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সংস্কারকে জবাবদিহি ও স্বাধীন তদারকির ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হয় এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সপ্রান নামের সংগঠনের আয়োজনে ‘পুলিশ রিফর্ম ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস, পসিবিলিটিস অ্যান্ড ফিউচার পাথওয়েজ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ তাগিদ প্রকাশ করা হয়। আয়োজকেরা উল্লেখ করেছেন যে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং তার স্থানীয় সমস্যাগুলো আলোচনার বিষয়ে তৈরি করা হয়েছে।
‘পুলিশ সংস্কার শুধু দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া বা বাহিনীর শক্তি বাড়ানোর বিষয় নয়। মূল প্রশ্ন হলো পুলিশ জনগণের জন্য কাজ করবে নাকি ক্ষমতাসীনদের জন্য।’
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাবলি দেখায় বাহিনীর সদস্যরা কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে প্রক্রিয়াটি গভীরভাবে পর্যালোচনার দরকার আছে।
অপসরা ইসলামের প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে গণ–অভ্যুত্থানের সময়ে বাহিনীর কর্মকাণ্ডে কমপক্ষে 26,000 গুলি এবং রাবার বুলেট ও শটগান কার্তুজ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রায় 1,300 মানুষের চোখে আঘাত লাগে এবং অন্তত 550 জন স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারান।
সাম্প্রতিক সময়ে ফৌজদারি কার্যবিধিতে সংশোধন হয়েছে বলে জানান সারা হোসেন। তিনি অনুরোধ করেন যে বাহিনীতে সব জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন জানান, পুলিশ সাধারণ মানুষের এবং নিয়মিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিপীড়ন ও হয়রানি অভিযোগ নিয়মিত উঠেছে। তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান যে বাহিনীকে রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত করে জনব
