পুলিশের গড়িমসি: জোয়ারে ভেসে আসা লাশ উদ্ধারের প্রক্রিয়া ও বিশ্লেষণ
প ল শ র গড় মস জ – পুলিশের গড়িমসি কাজের মধ্যে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে লাশটি জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে আসে। পুলিশের গড়িমসি কর্মকর্তারা প্রথমে লাশটির অবস্থান নদীর কাছাকাছি বলে ধরেন, কিন্তু এর পর তারা স্থান পরিবর্তন করেন। এই এলাকা নৌ পুলিশের আওতাধীন ছিল না, তাই পুলিশের গড়িমসি কাজে স্থানীয় কর্মকর্তার সহযোগিতা প্রয়োজন ছিল। অবশেষে আজ শুক্রবার বেলা একটার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টির স্থানীয় বাসিন্দার সাক্ষাতকার থেকে প্রকাশ
নিঝুম দ্বীপে স্থানীয় বাসিন্দা জহির উদ্দিন বলেন, গতকাল বেলা ১১টার দিকে জোয়ারের পানি লাশটিকে ধাক্কা দিয়ে কেওড়া বাগানে আটকে দেয়। দীর্ঘদিন পানিতে থাকার কারণে লাশের মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে পুরো শরীর পচে গেছে। পুলিশের গড়িমসি প্রক্রিয়ায় লাশটি সাধারণ পুলিশ ও নৌ পুলিশের মধ্যে যুক্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। এটি হতে পারে অন্তত এক সপ্তাহের পুরোনো লাশ।
পুলিশের গড়িমসি কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, গতকাল সন্ধ্যার দিকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তখন লাশটি নদীর কাছাকাছি ছিল। কিন্তু পুলিশের গড়িমসি কাজে স্থানীয় কর্মকর্তারা লাশটি অবিশ্বাস্য হিসাবে ধরেন। নৌ পুলিশের আওতাধীন এলাকা ছিল না, তাই বিষয়টি অপর পুলিশ কর্তৃপক্ষের নিকট তুলে ধরা হয়। একটি পুলিশ দল বনের ভেতরে ঢুকে লাশটি উদ্ধার করে।
নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন নৌ পুলিশ কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিকুর রহমান জানান, গতকাল রাতে তিনি লাশের বিষয়টি জেনেছিলেন। তিনি পরে আজ সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন লাশটি নদীর তীর থেকে প্রায় ৫০০ ফুট ভেতরে বনের মধ্যে। পুলিশের গড়িমসি কর্মকর্তারা এটি সাধারণ পুলিশ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করেন। এই প্রক্রিয়ায় লাশটি সঠিক আওতাধীন এলাকায় আসার পর উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের গড়িমসি প্রক্রিয়া বিষয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন, লাশটির বিষয়ে গতকালই পুলিশকে জানানো হয়েছিল। পুলিশের গড়িমসি দলের কাজ করা শুরু হয় আজ সকালে। এই প্রক্রিয়ায় লাশটি পরিশোধন করা হয়েছে এবং এখন তার পরিচয় নির্ধারণ করার চেষ্টা চলছে। নৌ পুলিশ ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে পুলিশের গড়িমসি কর্মকর্তারা তদন্ত চালাচ্ছে।
পুলিশের গড়িমসি প্রক্রিয়ায় লাশটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেছে। এই এলাকায় নিয়মিত জোয়ার ও ভাটার কারণে লাশটি সঠিক আওতাধীন এলাকায় আসার আগে বনের ভেতরে ঢুকে গেছে। পুলিশের গড়িমসি কাজে সম্পূর্ণ তদন্ত চালানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় বিশেষজ্ঞদের পর
