পিপিপিতে পরিচালিত হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোকিল টেক্সটাইল
Banglaprabah.com – প প প ত পর চ ল – দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোকিল টেক্সটাইল মিলসকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প প প ত পর চ ল উদ্যোগে মিলটিকে নতুনভাবে গড়ে তুলে বস্ত্র, তৈরি পোশাক ও পাটসংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ‘ডেভেলপমেন্ট অব কোকিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন পায়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
জমির মালিকানা থাকবে সরকারের
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) তথ্য অনুযায়ী, কোকিল টেক্সটাইলের জমির পরিমাণ ১০ দশমিক ৫৮ একর। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, বেসরকারি অংশীদার নিজস্ব অর্থায়নে কারখানা নির্মাণ করবে এবং সেটির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।
এর বিনিময়ে সরকার জমির ইজারামূল্য পাবে। তবে জমির মালিকানা সরকারের কাছেই থাকবে। বেসরকারি অংশীদার এই জমি বন্ধক রাখতে পারবে না। প প প ত পর চ ল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি সম্পদের মালিকানা অক্ষুণ্ন রেখে শিল্প কার্যক্রম চালুর সুযোগ তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কোকিল টেক্সটাইলের ইতিহাস ও বন্ধ হওয়ার কারণ
কোকিল টেক্সটাইল মিলসের যাত্রা শুরু স্বাধীনতার আগে। ১৯৬১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্যানোরামা কোম্পানি লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। পরে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি সুতা উৎপাদন শুরু করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জাতীয়করণের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে কোকিল টেক্সটাইল মিলস রাখা হয়।
২০০৭ সালে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মিলটির উৎপাদন আবার চালু হয়েছিল। কিন্তু শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবিকে কেন্দ্র করে ওই বছরের ১৬ অক্টোবর কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হওয়ার সময় মিলটিতে ২১০ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে মিলটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা
নীতিগত অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পে বস্ত্র, তৈরি পোশাক এবং পাটসংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প প প ত পর চ ল হলে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে অব্যবহৃত মিলপ্রাঙ্গণকে আবার উৎপাদনমুখী করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সরকার ইজারা থেকে আয় পাবে এবং জমির নিয়ন্ত্রণও ধরে রাখতে পারবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিল্প কার্যক্রম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কারখানা নির্মাণ, বিনিয়োগকারী নির্বাচন এবং উৎপাদন শুরুর পরবর্তী ধাপগুলো পিপিপি কাঠামোর শর্ত অনুযায়ী এগোবে।
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
কোকিল টেক্সটাইল মিলস কোথায় অবস্থিত?
মিলটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত।
মিলটির জমির পরিমাণ কত?
বিটিএমসির তথ্য অনুযায়ী, কোকিল টেক্সটাইলের জমির পরিমাণ ১০ দশমিক ৫৮ একর।
জমির মালিকানা কি বেসরকারি অংশীদারের কাছে যাবে?
না। জমির মালিকানা সরকারের কাছেই থাকবে। বেসরকারি অংশীদার কারখানা নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে, তবে জমি বন্ধক রাখতে পারবে না।
কখন মিলটির উৎপাদন বন্ধ হয়?
শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবিকে কেন্দ্র করে ২০০৭ সালের ১৬ অক্টোবর মিলটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is প প প ত পর চ ল?
প প প ত পর চ ল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does প প প ত পর চ ল matter?
প প প ত পর চ ল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

